1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঘিওর উপজেলা ৭নং নালী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদ প্রাথী নামে অপপ্রচার করোনায় সচেতন করতে গিয়ে গনমাধ্যম কর্মীক প্রাণনাশের হুমকি তারাগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বদলগাছীতে ভুয়া কবিরাজ এর ফাঁদে নিঃস্ব মানুষ, বানিয়েছেন বিলাসবহুল বাড়িও! সাপাহারে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম সংরক্ষণ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই কেনাকাটায় মেতেছে জনতা! কুষ্টিয়ায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে অপরিসীম দায়িত্ব পালন করছে প্রশাসন করোনা প্রতিরোধে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে – খাদ্যমন্ত্রী করোনায় জয়পুরহাটের এক মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ফরিদপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বিকাশ প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

সাপাহারে গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের নানাবিধ অনিয়ম পর্ব-১

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
  • Update Time : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬৩৯ Time View

নওগাঁর সাপাহারে অবস্থিত গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে নানাবধি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে, উপজেলা সদরের হাসপাতাল রোডে অবস্থিত গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম কিèনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার। এই ক্লিনিকের মালিক ডাঃ নুর মোহাম্মদ নুরু। দীর্ঘদিন আগে তিনি সাপাহারে এসে গার্লস স্কুল সংলগ্ন একটি বিল্ডিংয়ে তার ক্লিনিক ব্যাবসা চালু করেন। পরবর্তী সময়ে নিজের আচার আচরণের জন্য স্থানীয় লোকজনের চোখে একজন অপছন্দনীয় ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন। সেসময় থেকে তার নানারকম অনিয়মের অভিযোগ তোলেন স্থানীয় লোকজন সহ ভুক্তভুগীরা। আজো পর্যন্ত সে ডাক্তার কোথা থেকে এসেছে , তার বাড়ী কোথায় সে নিয়ে নানা প্রশ্ন জনমনে রয়েই গেছে। ওই সময় স্থানীয় দুইজন ভালো মাপের সাংবাদিক তার অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহের জন্য গেলে তাদেরকে ফাঁসিয়ে থানায় একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে ওই ডাক্তার । পরে তিনি চাঁদাবাজি প্রমান না করতে পয়ে থানায় অপমানিত হন। তার ক্লিনিকে গ্রাম থেকে গরীব অসহায় মেয়েদের নিয়ে এসে নার্স বলে চালিয়ে নিতেন ডাক্তার নূরু। কিন্তু সে মেয়েগুলো কেউ কেউ স্কুলের বারান্দা পর্যন্ত মাড়ায়নি বলে জানান একটি গোপন সূত্র। যত্র তত্র ভাবে নিজেই অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে কোন রকম অপারেশন শেষ করে ডাক্তার নুরু। তার পর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কোন নার্স ছাড়াই অশিক্ষিত , অর্ধ শিক্ষিত মেয়েদের দিয়ে সেবা চলতো ক্লিনিকের রোগীদের।

 

যেখানে একজন স্বীকৃত অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার দিয়ে অজ্ঞান ম্যানেজ করার কথা সেখানে নুরু কোন শক্তিতে একাই রোগীদের জীবন নিয়ে খেলা করছেন এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

এছাড়াও রোগীদের নিকট উচ্চ মূল্য ছাড়া অপারেশন করেননা ডাক্তার নূরু। এমনকি স্বল্প মূল্যের ঔষধ দিয়ে কোন রকম বেডে রেখে পরে ছাড়পত্রে লেখেন উচ্চ ও নামকরা কোম্পানীর দামী ঔষধ। অপারেশন পরবর্তী সময়ে রোগীকে একটি এমোক্সাসিলিন , একটি ডাই ক্লোফেনাক, একটি ওরট্যাক বা নিওট্যাক ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় রোগীদের । পরবর্তী সময়ে খাবার জন্য ওই একই গ্রুপের ঔষধ দেওয়া হয় বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু রোগীর লোকজন।

 

বর্তমানে একটি স্বীকৃত ক্লিনিকে ৩জন সার্বক্ষনিক ডাক্তার, ১ জন অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার, ৩ জন ডিপ্লোমা নার্স, ২ জন সহকারী নার্স, ৩ জন আয়া, ৩ জন সুইপার, ৩ জন ওয়ার্ডবয়, একজন ম্যানেজার থাকার কথা থাকলেও নূর মোহাম্মদ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ছাড়া একটি কাকপক্ষীও নেই ওই ক্লিনিকে বলে জানা গেছে। কাগজ কলমে নার্স ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে চালাচ্ছেন অপারেশন ও রোগীর সেবাদানের কাজ। এভাবে ক্লিনিকে জনবল সংকট থাকলে রোগীর বেহাল দশা এমনকি মৃত্যু হতে পারে বলছনে বিশেষজ্ঞরা।  যা এর পূর্বে ওই ক্লিনিকে ঘটেছে। তার অপকর্মের কোন কথা কেউ বলতে গেলেই তাদেরকে কোন এক অপশক্তির ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখেন ওই ডাক্তার।

 

এছাড়াও প্যাথলজি, আলট্রাসনোগ্রাফী ও এক্সরে মেশিন একাই চালান ডাক্তার নুর মোহাম্মদ। এছাড়াও প্যাথলজি, এক্সরে ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন একাই চালান ডাক্তার নুরু। এ বিষয়ে ধারাবাহিক সংবাদ থাকছে দ্বিতীয় পর্বে।

এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ রুহুল আমিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, “গরীবে নেওয়াজ ক্লিনিকের ডাক্তারের কাগজপত্রাদি ঠিক আছে। তবে আমরা একদিন অভিযান পরিচালনা করতে তার ক্লিনিকে গেলে সেখানে কোন নার্স বা অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি”।

Please Share This Post in Your Social Media

One thought on "সাপাহারে গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের নানাবিধ অনিয়ম পর্ব-১"

  1. JamesHig says:

    Electric Light Orchestra All Over The World The Very Best Of Various O Brother Where Art Thou William Bell The Soul Of A Bell

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©