1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রশাসনের বাঁধা

জহির বিশ্বাস, স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ৬৫২ Time View

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে প্রশাসনের বাধার কারণে থেমে গেছে নির্মাণ কাজ। সোমবার কলেজের শহর ক্যাম্পাসের মাঠের পশ্চিম-উত্তর প্রান্ত থেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের এ কাজ শুরু করা হয়। মঙ্গলবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেন ফরিদপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আল আমিন। অপরদিকে শহরের প্রণকেন্দ্রে বড় এই মাঠটি প্রাচীর দিয়ে আটকে দেওয়ার পক্ষে নয় ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক সমাজ। তারা এ মাঠটি উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

১৯১৮ সালে ফরিদপুরর শহরের প্রাণকেন্দ্রে ৫৪ দশমিক এক একর জমির ওপর স্থাপিত হয় রাজন্দ্র কলেজ। আগে এ জায়গাটি মেলার মাঠ হিসেবে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে কলেজের কলেবর বেড়ে গেলে শহর থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার দূরে কলেজের আরেকটি ক্যাম্পাস চালু হয় ১৯৮৩ সালে।

কলেজের শহর শাখার সামনে বড় এই মাঠটি খেলাধুলার জন্য ব্যবহার করেন কলেজের শিক্ষার্থী ও শহরবাসী। এই মাঠে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের মেলার আয়োজন করা হয়। বিকেল হলে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিবাবকগণ তাদের শিশুদের নিয়ে এ মাঠে সমবেত হন। বড় বড় জনসভার প্রয়োজন হলে এ মাঠটি ব্যবহার করা হয়। সাইকেল, মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালানো শেখার জন্যও এ মাঠটি ব্যবহার করে শহরবাসী। তবে এ মাঠটি ঘিরে আগে একটি সীমানা প্রাচির নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল এ মাঠে।

তখন ওই সীমানা প্রাচিরটি ভেঙে ফেলা হয়। পরে ওই সীমানা প্রাচীর আর নির্মাণ করা হয়নি। কলেজের অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী বলেন, এ মাঠে আগে সীমানা প্রাচির ছিল। কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে সেটি ভেঙে ফেরা হয়।

পরবর্তীতে কলেজের মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি। সম্প্রতি অনেক লেখালেখির পর শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ প্রাচীর নির্মাণের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এজন্য আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের কারণে আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। প্রাচীর নির্মাণ কাজের বাধা দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, ওই মাঠটি চার একর ৬৬ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত। মাঠটি রাজেন্দ্র কলেজের মালিকানাধীন নয়। এটি জেলা প্রশাসকের সরকারি খাস জমির অন্তর্ভুক্ত বিধায় এটি উন্মুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, এসএ এবং আর এস জরিপে এটি জেলা প্রশাসকের সম্পত্তি।

সর্বশেষ জরিপে এটি কলেজের সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে, এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষে মামলা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কলেজের অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী বলেন, ১৯৮৪ সালের ২২ জানুযারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ কলেজের সামনের মাঠ এবং সংলগ্ন জমিতে অবস্থিত যুবকেন্দ্র, জাতীয় মহিলা কেন্দ্রসহ সব স্থাপনা রাজেন্দ্র কলেজকে দিয়ে যান। এ অবস্থায় জমির মালিকানা নিয়ে দ্বিমত পোষণের কোনো সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, ঘোষাণা দিলেই সম্পত্তির মালিকানা অর্জিত হয় না। এর জন্য কিছু কাজ করতে হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্থায়ী বরাদ্দ লাভ ও এ সংক্রান্ত দলিল করা হলেই ওই মাঠের ওপর কলেজ কর্তৃপক্ষের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে। তার আগ পর্যন্ত ওই মাঠ এবং আশেপাশের স্থাপনার প্রতি কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনো আইনগত বৈধতা নেই।

ফরিদপুর সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি শিপ্রা গোস্বামী বলেন, যেভাবে দেওয়াল দেওয়া হবে তাতে কালেজের নিরাপত্তা রক্ষিত হবে না, শুধুমাত্র মাঠটি আটকে দেওয়া হবে। আমরা মনে করি, শহরের প্রণ হচ্ছে এই মাঠটি। অভিভাবকগণ বাচ্চাদের বিকেলে এ মাঠে নিয়ে যান, দম ফেলতে। সীমানা প্রাচীর করা হলে শহরবাসীর জন্য দম ফেলার জায়গাটা থাকবে না।

ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সভাপতি আওলাদ হোসেন বাবর বলেন, এর মাঠটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। এখানে আমাদের কিশোর-তরুণরা খেলাধুলা করতে আসে। অভিবাবকরা শিশুদের নিয়ে হাওয়া খেতে, ঘুরতে। এটি বন্ধ করা হলে কলেজের বিশেষ কোনো লাভ হবে বলে মনে করি না। কিন্তু বঞ্চিত হবে শহরবাসী। এ মাঠকে যে কোনো মূল্যে উন্মুক্ত রাখা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©