1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাপাহারে রিক’র উদ্যেগে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন খড় বেচে আমন চাষের খরচ উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর নামে সমিতি খুলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা আজ মহানবমী, বিষাদে পরিপূর্ণ দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর সালথার বল্লভদী ইউপিতে বিতর্কিত প্রার্থীর মনোনয়নে তৃণমূলে ক্ষোভ আজ মহাঅষ্টমী, মধ্য রাতে সন্ধি পূজা ফরিদপুরের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ফুয়াদ গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভার আগে জেলা সার্কিট হাউজে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের উপর হামলা আহত -২০ কুড়িগ্রামে একদিনের জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রতিকী দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী- ইতি শাহজাদপুরে প্রতিবন্ধী ছালমা হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

মুহররমে করণীয় ও বর্জনীয় কর্মসমূহ (২য় পর্ব)

সম্পাদকীয়
  • Update Time : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১৮৪ Time View
  • মুসলমানদের নিকট পবিত্র রমজানের পরই সবচেয়ে সম্মানিত ও মর্যাদাবান হচ্ছে মুহাররম মাস। মুসলিম সমাজে কোরআন ও হাদীস নির্ভর কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আশুরার মর্যাদা ও গুরুত্ব কেন্দ্র করে বেশ কিছু শিরক ও বিদ’য়াতি কর্মকাণ্ড চালু রয়েছে। মুহাররম মাসের করনীয় ও বর্জনীয় এমন কিছু কর্মকাণ্ড নিম্নে উপস্থাপন করা হলো।

★ করণীয় কর্মকান্ডঃ

১. রোজা রাখাঃ

আশুরা তথা মুহাররমের দশ তারিখে রোজা রাখা। আর এর সাথে ৯ তারিখ বা ১১ তারিখ মিলিয়ে মোট দু’টি রোজা রাখা। কারণ নবী কারীম (স.) ইরশাদ করেন,
صوموا عاشوراء وخالفوا فيه اليهود، صوموا قبله يوما أو بعده يوما.
“তোমরা আশুরার দিনে রোযা রাখ। তবে এ ক্ষেত্রে ইয়াহুদীদের থেকে ভিন্নতা অবলম্বন করতঃ তোমরা আশুরার পূর্বে অথবা পরের একদিন সহ রোযা রাখবে।” (মুসনাদে আহমাদ- ২৪১)

‘আশুরার দিনের রোজা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন,
صيام يوم عاشراءأحتسب علی الله ان يکفر السنة قبلها۰
‘আশুরা দিনের রোজার ফলে আগের বছরের গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (মুসলিম)

২. তাওবা-ইসতিগফার করাঃ

এই দিন বেশী বেশী তাওবা-ইস্তিগফার করা। কারন নবী (স.) এরশাদ করেছেন,

إن کنت صَائِمًا بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ فَصُمِ الْمُحَرَّمَ فَإِنَّهُ شَهْرُ اللَّهِ فِيهِ يَوْمٌ تَابَ اللَّهُ فِيهِ عَلَى قَوْمٍ وَيَتُوبُ فِيهِ عَلَى قَوْمٍ آخَرِينَ ‏”‏ ‏.‏ (رواه الترمذی)
রাসূলুল্লাহ (স.) বলেন, রামাযান মাসের পর তুমি যদি আরো রোযা রাখতে ইচ্ছুক হও তবে মুহাররামের রোযা রাখ। যেহেতু এটা আল্লাহ তা’আলার মাস। এই মাসে এমন একটি দিন আছে যেদিন আল্লাহ তা’আলা এক গোত্রের তাওবা ক্ববুল করেছিলেন এবং তিনি আরোও অনেক গোত্রের তাওবাও এই দিনে কুবুল করবেন।(জামে’আততিরমিযী-৭৪১)

৩. সত্য প্রতিষ্ঠায় ত্যাগ স্বীকারঃ

হযরত হোসাইন (রাঃ) সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য
যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন অনুরুপ মুসলমানদেরও সত্য প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনে
যে কোন কুরবানী করার দৃঢ় শপথ নেয়া।

নবী কারীম (স.) ইরশাদ করেন,
الساکت عن الحق شيطان أخرس۰
“সত্য বলা থেকে যে ব্যাক্তি চুপ থাকে সে একজন বোবা শয়তান।”

বর্জনীয় কর্মসমূহঃ

১. হযরত হুসাইন (রাঃ) এর জন্য বিলাপ করা, শোক প্রকাশ করা। ইসলামে স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর জন্য ৪ মাস ১০ দিন; গর্ভবতী হলে তা খালাস পর্যন্ত এবং অন্যান্য আত্মীয়- স্বজন মারা গেলে মাত্র ৩ দিন শোক প্রকাশ করার বিধান ইসলামে রয়েছে। শোক প্রকাশ করার জন্য কোন অপশন ইসলামে নেই। এখানে শোকপালন বলতে সাজসজ্জা
বর্জন করা বুঝানো হয়েছে।
২. এই মাসকে শোকের মাস মনে করে বিবাহ-শাদী সহ বিভিন্ন শুভ কর্ম না করা করা। অন্যান্য মাসের মতো এ মাসে বিবাহ শাদী করা কোন দোষণীয় নয়।
৩. তা’যিয়া তথা হযরত হুসাইন (রাঃ)এর নকল কবর বানানো। মূর্খ লোকেরা ‘হযরত হুসাইন (রাঃ) এতে সমাসীন হন’ এই বিশ্বাসে এখানে বিভিন্ন ধরনের নযর-নিয়ায পেশ করে, এর সামনে হাত জোড় করে দাঁড়ায়, এর দিকে পিঠ প্রদর্শন করাকে বেয়াদবী মনে করে ইত্যাদি ইত্যাদি। ইহা সুস্পষ্ট শিরক, বেদ’য়াত ও কুফরী কাজ। বর্তমানে শুধু শিয়ারাই নয়, এই গর্হিত কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে এক শ্রেণীর নামধারী সুন্নি মুসলিমরাও।(না’ঊযুবিল্লাহি মিন্ যালিক)

৪. শোকগাঁথা বা মর্সিয়া ক্রন্দন করা
অথবা এর জন্য মজলিস করা এবং তাতে অংশগ্রহণ করা সবই নাজায়িয।

৫. “হায় হুসেন’’- “হায় হুসেন” ইত্যাদি বলে বিলাপ করা এবং ছুরি মেরে নিজের বুক ও পিঠ থেকে রক্তাক্ত করা।

৬. তা’যিয়ার সাথে ঢাক-ঢোল ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র বাজানো।
৭. হযরত হুসাইন রাযি.-এর নামে ছোট বাচ্চাদেরকে ভিক্ষুক বানিয়ে ভিক্ষা করানো।

৮. হযরত হুসাইন (রাঃ) নামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহরম এর গান গেয়ে বিলাপ করে
চাউল ইত্যাদি উঠিয়ে শিন্নি রান্না করা।

৯. হযরত হুসাইন সহ তার পরিবারের লোকেরা পানির পিপাসায় শাহাদতবরণ করেছেন, তাই তাঁদের পিপাসা নিবারণের জন্য মানুষদেরকে পানি পান করানো।

প্রথম উল্লিখিত ইতিবাচক তিনটি কাজ ছাড়া মুহাররম মাসের বিশেষ আর কোন আমল ও ইবাদত নেই; আর তা করা হলে তা হবে বেদ’য়াত ও ফাসিকী কাজ। শরীয়তে যার কোন ভিত্তি নেই।

রাসূল (স.) বলেন,
کل بدعة ضلالة و کل ضلالة فی النار۔

“প্রতিটি বিদ’য়াতই ভ্রষ্টতা; আর প্রত্যেক ভ্রষ্ট ব্যাক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।”

* এমর্মে আল্লাহ তায়ালা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন,

مَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ.

“যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া কোন বিধান অনুসন্ধান করবে,তার কাছ থেকে তা কখনোই গ্রহণ করা হবে না, আর পরকালে সে চরম ব্যর্থ হবে।”
(আল ইমরান-৮৫)

রব্বে কারীম যেন আমাদের সবাইকে শিরক, বিদ‘য়াত সহ সকল প্রকার পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফীক্ব দান করেন।

(চলবে)

লেখক-

মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী,
উপাধ্যক্ষ, গৈড্যা এম,এস, ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর।
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ ও প্রবন্ধকার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©