1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজারহাটে আকস্মিক বন্যায় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সাপাহারে রিক’র উদ্যেগে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন খড় বেচে আমন চাষের খরচ উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর নামে সমিতি খুলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা আজ মহানবমী, বিষাদে পরিপূর্ণ দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর সালথার বল্লভদী ইউপিতে বিতর্কিত প্রার্থীর মনোনয়নে তৃণমূলে ক্ষোভ আজ মহাঅষ্টমী, মধ্য রাতে সন্ধি পূজা ফরিদপুরের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ফুয়াদ গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভার আগে জেলা সার্কিট হাউজে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের উপর হামলা আহত -২০ কুড়িগ্রামে একদিনের জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রতিকী দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী- ইতি

মাজলুম জননেতা মাওলানা ভাষানীর ৪৪তম মৃত্যু বার্ষিকী

ওমর ফারুক, নরসিংদী প্রতিনিধি।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪৭৯ Time View

আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক।
যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে “মজলুম জননেতা” হিসাবে সমধিক পরিচিত। তার অনুসারীদের কাছে তিনি “লাল মওলানা” নামেও পরিচিত ছিলেন।

জন্ম ও বাল্যকালঃ
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হাজী শারাফত আলী। হাজী শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারে ৪ টি সন্তানের মধ্যে মোঃ আব্দুল হামিদ খান সবার ছোট। তার ডাক নাম ছিল চেগা মিয়া। ছোট কালেই পরিবারের সবাইকে হারিয়ে বেঁচে থাকেন ছোট এতিম শিশু আব্দুল হামিদ খান ভাষানী।

শিক্ষাজীবনঃ
পিতৃহীন হামিদ প্রথমে কিছুদিন চাচা ইব্রাহিমের আশ্রয়ে থাকেন। ওই সময় ইরাকের এক আলেম ও ধর্ম প্রচারক নাসির উদ্দীন বোগদাদী সিরাজগঞ্জে আসলে চেগা মিয়া তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে পীর সৈয়দ নাসীরুদ্দীনের সাথে আসাম গমন করেন।সেখান হতে ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সেরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ যান। দুই বছর সেখানে অধ্যয়ন করে আসামে ফিরে আসেন।

পারিবারিক জীবনঃ
১৯২৫ সালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী শামসুদ্দিন আহম্মদ চৌধুরীর মেয়ে আলেমা খাতুন ভাসানীকে বিবাহ করেন। যিনি পীর মা হিসেবে খ্যাত ছিলেন। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ২য় সহধর্মিনী হামিদা খানম ভাসানী।

রাজনৈতিক জীবনঃ
১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন।
১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগদান করে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে দশ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেন।
১৯২৩দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন “স্বরাজ্য পার্টি”তে যোগ দেন ভাসানী।
১৯৩৭-এ মওলানা ভাসানী কংগ্রেস ত্যাগ করে মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
১৯৪৪ সালে মাওলানা ভাসানী আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
পাকিস্তান আন্দোলনে অংশ নিয়ে ১৯৪৭ সালে আসামে গ্রেফতার হন।
১৯৪৯ সালে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মওলানা ভূখা মিছিলে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আবারো গ্রেফতার হন।
১৯৫২ রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠন করেন।
১৯৫৩ নির্বাচনী মোর্চা গঠন করেন।
১৯৫৪ মওলানা ভাসানী সুইডেনে যান এবং দীর্ঘ সময় তিনি বিশ্ব পরিভ্রমন করে ১৯৫৫ ফিরে আসেন।
১৯৫৬-র ৭ মে ঢাকায় ৪ বছর ১০ মাস কারারুদ্ধ থাকেন।
১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করেন।
১৯৭০ সালে আগস্টে বন্যা সমস্যা সমাধানে অনশন করেন এবং পল্টন ময়দানে এক জনসভায় ‘স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান’ দাবি উত্থাপন করেন।
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা সদস্য হয়ে ভারতে চলে যান।
১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
১৯৭৩ সালে খাদ্যের দাবিতে ঢাকায় ১৫-২২ মে অনশন করেন।
১৯৭৪ সালে “হুকুমতে রাব্বানিয়া সমিতি” গঠন করেন এবং গৃহবন্দি হন।
১৯৭৬-এর ১৬ মে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।

সমাজ সংস্কারঃ
রাজনীতির পাশাপাশি “হক্কুল এবাদ” মিশন প্রতিষ্ঠা করে তিনি সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন। মেডিকেল, টেকনিক্যাল স্কুল,হাজী মুহসিন কলেজসহ আসামে ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও তিনি কাগমারিতে মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ সন্তোষে (সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) যা পরবর্তীতে “মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়” ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৩য় স্থান এ আছে।

মৃত্যুঃ
১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই দেশ বরেণ্য নেতা মৃত্যুবরণ করেন। তাকে টাংগাইল জেলার সদর উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে সন্তোষ নামক স্থানে পীর শাহজামান দীঘির পাশে সমাধিস্থ করা হয়। সারা দেশ থেকে আগত হাজার হাজার মানুষ তার জানাযায় অংশগ্রহণ করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©