1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

বিলুপ্তির পথে টক-মিষ্টি স্বাদের ডেওয়া ফল!

মনিরুল ইসলাম, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১
  • ৫৫০ Time View

গ্রাম- বাংলার অতি পরিচিত দুর্লভ ডেওয়া ফল যা বনকাঁঠাল হিসেবে পরিচিত। দেখতে অদ্ভুত টক -মিষ্টি স্বাদে গন্ধে সবার পছন্দ এই ফলটি । ডেওয়া বা বনকাঁঠাল ফলের গাছ ছোট বয়সে অনেকেই দেখছেন। কালের আবর্তনে ডেওয়া ফল বর্তমানে বিলুপ্তির পথে।

নওগাঁ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এখনও বনকাঁঠালের গাছ আছে। তা কাঁঠাল গাছের মতই বড়সড়। ফল ধরার আগে দেখে বোঝার উপায় নেই। গাছের আকার বড় কিন্তু ফল বেশ ছোট। খোসাটা বেশ পাতলা। এর শাঁসগুলো বেশ ছোট। তরুণ প্রজন্ম অনেকেই শুধু কাঁঠালের কথা জানেন। কিন্তু বনকাঠাঁলও যে রয়েছে তা খুব কম মানুষেই জানেন।

গ্রাম-বাংলায় বন ধ্বংসের কারণে এই বিশেষ ডেওয়া বা বনকাঁঠাল কিন্তু দুর্লভ হয়ে পড়ছে। গ্রাম-গঞ্জে পাওয়া গেলেও শহুরে মানুষের কাছে এর আকার ছোট বলে এই বনকাঁঠালের কদর কম । তবে গ্রামের মানুষ এই বনকাঁঠালের কদর জানেন। গ্রীষ্মকালীন ফলের পাশাপাশি বাজারে দেখা মিলে প্রায় বিলুপ্ত এই ডেওয়া বা বনকাঁঠালের।

বনকাঁঠাল বা ডেওয়া গাছ বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট, বড় আকারের বৃক্ষ। প্রায় ২০-২৫ ফুট উঁচু হয়, এর ছাল ধূসর-বাদামী রঙের। গাছের ভেতর সাদাটে কষ বা আঠা থাকে। পাতা ৬-১২ ইঞ্চি লম্বা ও ৪-৭ ইঞ্চি চওড়া হয়, যা অনেকটা কাকডুমুরের পাতার ন্যায়। তবে আকারে সামান্য বড়।

স্ত্রী ও পুরুষ ফুল আলাদা। স্ত্রী ফুল আকারে বড় ও মসৃণ। এর ফুলে পাপড়ি নেই, ছোট গুটির মত। স্ত্রী ফুল থেকে ফল হয়। ফল কাঁঠালের ন্যায় যৌগিক বা গুচ্ছফল। বহিরাবরণ অসমান। কাঁচা ফল সবুজ, পাকলে বহিরাবরণ হলুদ। ভিতরের শাঁস লালচে হলুদ। প্রতিটি শাঁসের মধ্যে একটি করে বীজ থাকে। সাধারণত মার্চ মাসে ফল আসে এবং মে মাসের দিকে ফল পাকতে শুরু করে। গাছ রোপনের উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল।

দেখতে অদ্ভুত ও খেতে টক -মিষ্টি।স্বাদে গন্ধে ডেওয়া ফল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী । পাশাপাশি এর রয়েছে বেশ কিছু ভেষজ গুণ। অনিয়ন্ত্রিত ওজন বর্তমান সময়ে একটা বড় সমস্যা। অথচ ঠাণ্ডা পানিতে ডেওয়া ফলের রস মিশিয়ে নিয়মিত পান করলেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় । এমনকি ডেওয়া ফল রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়।

মুখের রুচি ফেরাতে খেতে পারেন এই ফল। ডেওয়া ফলের রসের সঙ্গে সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেলে মুখে রুচি ফিরে আসবে।পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, মধুর অম্লরস যুক্ত পাকা ডেওয়া অরুচি ও পেটের বায়ুনাশে অমৃত। শুধু তাই নয়, পিত্ত ও যকৃতের উপকারী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©