1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

বাংলাদেশের পাটকাঠির ‘চারকোল’ বিশ্ববাজারে সম্ভাবনাময় নতুন উৎপাদিত পণ্য

ওমর ফারুক, নরসিংদী প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৬৫ Time View

বাংলাদেশের পাটের ‘সোনালী দিন’ ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সময়ে চলমান লড়াইয়ে চারকোল একটি শক্তিশালী সহযোদ্ধা হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে, তা ইতিমধ্যে প্রমানিত। আবহমান কাল ধরে ‘পাটকাঠি’ শুধু জ্বালানীর কাজেই ব্যবহৃত হয়েছে। এখন সেই জ্বালানি পাটকাঠি-ই প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে চারকোল উতপাদন করে বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ায় পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে যেভাবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে, তাতে আশান্বিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে, একদিন চারকলেই ফিরবে পাটের ‘সোনালী দিন’।

চীনা নাগরিক ‘ওয়াং ফেই’র হাত ধরে বাংলাদেশে প্রথম ২০১২ সাল থেকে পাটকাঠির অ্যাক্টিভেটেড চারকোল (এক্টিভেটেড চারকোল) উৎপাদন শুরু হয়। ওই বছরই সর্বপ্রথম চীনে এ পণ্য রপ্তানী করা হয় । বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চারকলের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে দেশের এ পণ্য জাপান, ব্রাজিল, তুর্কিস্থান, যুক্তরাষ্ট্র, দঃ করিয়া, তাইওয়ান, কানাডা, মেক্সিকোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হচ্ছে।

বর্তমানে চারকল দিয়ে তৈরী হচ্ছে-পানির ফিল্টার,ফটোকপিয়ারের কালি, বিষ ধ্বংসকারী, জীবন রক্ষাকারী, দাতঁ পরিষ্কার করার ঔষধসহ নানা ধরণের প্রসাধনী সামগ্রী। এছাড়াও বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে এ কার্বন ব্যবহৃত হচ্ছে Kenaf কার্বনের বিপরীতে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৫টি চারকল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ।

নতুন বাজারের সন্ধানে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ চারকল এসোসিয়েশন BCMEA-(বাংলাদেশ চারকল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন) ২০১৬ সাল থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হওয়া বাংলাদেশ চারকল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন-BCMEA নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে চারকলের নতুন বাজার সৃষ্টিসহ নানা উদ্যেগের। বর্তমানে তাদের চেষ্টায় পণ্যের গুণগত মাণের কারণে দেশের এ পণ্য জাপান, ব্রাজিল, তুর্কিস্থান, যুক্তরাষ্ট্র, দঃ করিয়া, তাইওয়ান, কানাডা, মেক্সিকোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হচ্ছে।

বর্তমানে জামালপুর, নারায়নগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, রাজবাড়ী,ফরিদপুর,কুড়িগ্রাম,গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে বাণিজ্যিকভাবে চারকোল উৎপাদন শুরু হয়েছে।

বিশেষভাবে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা শ্রীনগরে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে পাটকাঠির চারকোল উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্বাসেম ট্রেডার্স’।

নরসিংদী চারকোল উৎপাদনকারী” ক্বাসেম ট্রেডার্স” প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী জনাব মাসুদুল ইসলাম রানা বলেন, ২০১৯ সালে আমি নরসিংদীতে চারকোল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করি। তবে আমার আরেকটি কারখান আছে কুদালকান্দী, রাজিবপুর, কুড়িগ্রামে।
২০১২ সাল হতেই এর সাথে আমি জড়িত।
জনাব মাসুদুল ইসলাম রানা আরো বলেন,পাটকাঠির চারকোল শিল্পকে একটি উদীয়মান উৎপাদনশীল শিল্প হিসাবে ঘোষনা করেছে সরকার। এতে কৃষকের লাভও হবে তূলনামূলক অনেকটুকুই বেশি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পত্র ও পাটজাত পন্য হিসাবে ২০ ভাগ ক্যাশ ইনসেন্টিভ পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ এ শিল্প বিকাশে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অর্ন্তভূক্ত বা সহযোগি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সুযোগ দিয়েছে সরকার। তবে এক্ষেত্রে আমাদেরকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করলেও চারকোলের বিজনেসকে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করার দাবী জানান তিনি।

এসোসিয়েশনের পক্ষ হতে জানানো হয়,
দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ টন পাটকাঠি উৎপাদিত হয়।এর মধ্যে যদি ৫০ ভাগ পাটকাঠি চারকল উৎপাদনে সঠিক ভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিবছর প্রায় ২.৫০ হাজার টন চারকল উৎপাদন সম্ভব হবে। যা বিদেশে রপ্তানী করে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার ৫’শ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।সেই সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©