1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজারহাটে আকস্মিক বন্যায় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সাপাহারে রিক’র উদ্যেগে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন খড় বেচে আমন চাষের খরচ উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর নামে সমিতি খুলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা আজ মহানবমী, বিষাদে পরিপূর্ণ দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর সালথার বল্লভদী ইউপিতে বিতর্কিত প্রার্থীর মনোনয়নে তৃণমূলে ক্ষোভ আজ মহাঅষ্টমী, মধ্য রাতে সন্ধি পূজা ফরিদপুরের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ফুয়াদ গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভার আগে জেলা সার্কিট হাউজে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের উপর হামলা আহত -২০ কুড়িগ্রামে একদিনের জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রতিকী দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী- ইতি

বদলগাছীতে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে গুচ্ছগ্রাম বাসীরা, যাতায়াত পথে বাঁশের বেড়া।

রহমতউল্লাহ,  নওগাঁ
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
  • ৭০০ Time View

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের সত্যপাড়ায় সরকারি জায়গায় ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে গুচ্ছগ্রাম গড়ে তোলা হয়েছে। গুচ্ছগ্রামে যাওয়ার সরকারি কোন রাস্তা নাই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। গুচ্ছগ্রামের চারপাশে ব্যক্তিমালিকানা জমি থাকায় মানুষ চলাচলের জায়গা রেখে বাঁশ দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। এতে গত ১৫দিন থেকে দূর্ভোগে পড়েছে গুচ্ছগ্রামবাসী। গুচ্ছগ্রামে প্রবেশে সরকারি ভাবে রাস্তা করে দেওয়ার দাবী জানিয়েছে গুচ্ছগ্রাম বাসীরা।

জানাগেছে, চলতি বছরে ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের সত্যপাড়ায় সরকারি জায়গায় গৃহহীনদের জন্য সরকার ২৯টি ইটের পাকা বাড়ি তৈরী করে দিয়েছে। গত রমজানের রোজার আগে সেখানে ১৩টি পরিবার ওঠে বসবাস শুরু করে। গ্রাম থেকে প্রায় ২০০ ফুট দূরে উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমে সরকারি রাস্তা। ওই রাস্তা থেকে গ্রামে প্রবেশের জন্য দক্ষিণ দিকে আমবাগান, উত্তর দিকে গ্রামবাসীর খলিয়ান ও পূর্বদিকে কবরস্থানের জঙ্গলের ভিতর দিয়ে তারা চলাচল করতো। গ্রামের চারপাশে ব্যক্তিমালিকানা জমি হওয়ায় সবদিক বাঁশের বেঁড়া দিয়ে তাদেরকে উত্তর দিকে খলিয়ানের ওপর দিয়ে চলাচল করতে বলা হয়। গুচ্ছগ্রামবাসীরা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারলেও তাদের ভ্যান বাড়িতে নিতে পারে না। বর্ষা মৌসুমে খলিয়ানের ওপর দিয়ে ভ্যান আসা-যাওয়া করতে দিচ্ছে না জমির মালিকরা। গত ১৫দিন যাবৎ ভ্যান চালচল ব্যহত হয়ে পরছে গুচ্ছ গ্রাম বাসীদের। তাদের ভ্যান মালামাল নিয়ে বাড়িতে যেতে পারছে না। এতে সমস্যায় পড়েছেন গুচ্ছগ্রামবাসীরা। সমস্যাটি সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

গুচ্ছগ্রামের বাসীন্দা ভ্যানচালক জুয়েল হোসেন ও আফজাল হোসেন বলেন, ঈদের পরদিন গুচ্ছগ্রামের চারপাশে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। গ্রামে পায়ে হেঁটে প্রবেশ করতে পারলেও ভ্যান বাড়িতে নিয়ে আসা যাচ্ছে না। এজন্য প্রতিদিন ৫০টাকা ভাড়া দিয়ে গ্যারেজে রাখতে হচ্ছে। এতে তাদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে।

গুচ্ছগ্রামের বাসীন্দা সোহেল, আকলিমা ও আছমা সহ অনেকেই বলেন, গত রমজানের রোজার আগে গুচ্ছগ্রামে উঠেছেন। একমাস চলাচলের কোন সমস্যা হয়নি। তবে ১৫/১৬দিন থেকে সমস্যায় পড়েছেন তারা। বাড়িতে ভ্যানে করে কোন মালামাল নিয়ে আসা যায় না। বাড়ি থেকে ভ্যান দুরে রেখেই মালামাল নিয়ে আসতে হয়। গুচ্ছ গ্রামে প্রবেশে সরকারি রাস্তা না থাকায় অন্যের খলিয়ানের ওপর দিয়ে চলাচল করায় আমাদের বিভিন্ন কথা শুনতে হয়। গুচ্ছগ্রামের প্রবেশে সরকারি ভাবে রাস্তা করে দেওয়ার দাবী জানান তারা।

জমির মালিকদের একজন আব্দুল লতিফ বলেন, গুচ্ছগ্রামের চারপাশে তাদের শরিকানদের জমি আছে। আগে গুচ্ছগ্রামের উত্তর ও দক্ষিণ পাশ দিয়ে তারা যাতায়াত করত। সেহেতু সবদিকে রাস্তা না দিয়ে গ্রামের উত্তরপাশ খলিয়ানের ওপর দিয়ে মানুষ চলাচলের জন্য রাস্তা দেওয়া হয়েছে। তবে ভ্যান চলাচল করতে দেওয়া হবেনা। কিভাবে তারা চলাচল করবে তারাই জানে। কারন গুচ্ছগ্রাম ঘর নির্মানের সময় তাদের চলাচলের জন্য কোনো রাস্তা তৈরি করেনি। আব্দুল লতিফ আরও জানায়, যে জমির উপর গুচ্ছ গ্রাম নির্মান করেছে ঐ জমি তাদের বাপ-চাচার নামে লীজ নেওয়া ছিল। সে জমির উপর দুই আড়াই লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ছিল। গাছ গুলি পুলিশ পাহাড়ায় জোর পূর্বক কেটে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আমরা আদালতে মামলা দিয়েছি। শুনানির আগেই গুচ্ছগ্রাম নির্মান করেছে। আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি এই গুচ্ছ গ্রামের কারনে। ঐ জমিতে তাদের দুই ভাই প্রায় ৩০ বছর আগে বাড়ি নির্মান করে বসবাস করছে। ঐ মালিকানা বাড়ির চতুরদিকে গুচ্ছগ্রামের ঘর নির্মান করা হয়েছে। আমাদের কোনো কথায় শোনা হয়নি।

বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. আলপনা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি কেউ আমাকে অবগত করেনি। তবে খোঁজ নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©