1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

ফরিদপুরে প্রেমিকার সাথে অভিমান করে বিষপানে কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা

জহির বিশ্বাস, স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ৯৬০ Time View

ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের করিমপুর গ্রামের আহম্মদ মোল্লার পুত্র আল আমিন (২০) প্রেমিকার সাথে অভিমান বিষপানে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

গত ৯ই এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে এ বিষপানের ঘটনা ঘটে। বাড়ির লোকজন দেখার পরে তাকে দ্রæত ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রোগীকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় রোগীকে পরবর্তীতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৬টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। এখনও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

করিমপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আহম্মদ মোল্লার চার ছেলে। কৃষি কাজ করে সংসারের সমস্ত জীবিকা নির্বাহের পর চারটি সন্তানকে লেখাপড়া চালিয়ে আসছিল। দ্বিতীয় ছেলে মোঃ আল আমিন (২০), তিনি ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এস এস সি পরিক্ষায় পাস করে, ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজে এইচ এসসি পড়–য়া একজন ছাত্র ছিলেন।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আল আমিনের সাথে প্রতিবেশী এক ভাবির বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আবার অনেকে বলেন এই ভাবির (রুনা) সাথেও তার সম্পর্ক ছিল।

নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর ধরে গ্রামের একই এলাকার ইয়াদ আলীর ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী সাজেদুলের সঙ্গে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন নিবাসী রুহুল আমিন এর মেয়ে রুনা বেগমের বিবাহ হয়। স্ত্রী রুনা বেগম ও একটি কন্যা সন্তান রেখে প্রায় দু’বছর যাবত সে প্রবাসে রয়েছেন।

স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী আল আমিন এর সাথে রুনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি নিহত আল আমিনের পরিবারের লোকজন জানতে পেরে, আল আমিনকে প্রেমের সম্পর্ক থেকে সরে আসতে বলে এবং আল আমিনকে অন্য জায়গায় মেয়ে দেখে বিবাহের কথা বলা হয়। এই প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে ঘরে রাখা জমিতে ব্যাবহার করা কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে।
এই ব্যাপারে নিহত আল আমিন এর বড় ভাই রায়হান মোল্লা বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এই ব্যাপারে রুনা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আল আমিন আমার প্রতিবেশী হিসাবে দেবর হয়। শুধু দেবর হিসাবে কথাবার্তা হতো। তার সাথে অন্য কোন সম্পর্ক ছিল না। তাকে ছোট ভাই হিসেবে স্নেহ করতাম, এবং বিভিন্ন কাজে কর্মে সহযোগিতা নিতাম। আমার স্বামী এবং তিন বছরের একটি সন্তান আছে। আমি কেন এ সমস্ত কাজে জড়াতে যাবো। আমার স্বামী আমার কাছে থাকে না বলে এ সমস্ত কথা বলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে।

রুনা বেগমের শশুর মোঃ ইয়াদ আলী জানান, আল আমীন সম্পর্কে আমার ভাতিজা হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে তাকে আমি সাথে নিতাম। সেই সুবাদে আমার বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। এটাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন লোক মিথ্যা কথা রটিয়ে বেড়াচ্ছে।

নিহত আল আমিন এর বড় ভাই রায়হান মোল্লা জানান, আমার ভাইয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত রুনার প্রেমের সম্পর্ক চলেআসছিল আমরা তাকে নিষেধ করেছি। এই সম্পর্কই আমার ভাইয়ের কাল হলো তাকে অকালে প্রান হরাতে হলো। মৃত্যুর আগের দিন রুনা, রুনার শ্বশুর ইয়াদ আলী ও শহীদুল আমার ভাই আল আমীনকে মারধর করে রুনা আমার ভাইয়ের সাথে খুব খারাপ করেছে আমার ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য সেই দ্বায়ী। মৃত্যুর আগে আমার ভাই একটি চিরকুট লিখে গিয়েছিল, ওর মৃত্যুরপর আমরা যখন ওকে নিয়ে ব্যস্ত তখন রুনা আমাদের ঘরে ঢুকে ওর মোবাইল ও চিরকুটটি আমার পাশের বাড়ীর এক চাচীর নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং মোবাইল ফোনে থাকা ওদের কথোপকথনের রেকর্ড ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ডিলেট করে দেয় এবং চিরকুটটি গায়েব করে দেয়। আমরা ওদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তী দাবী করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©