1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
উলিপুর ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২১ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্টিত হলো। বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ

প্রভাব খাটিয়ে প্রতিবছর বরাদ্দের টাকা হরিলুট

মোঃফখরুল ইসলাম সুমন উলিপুর (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ Time View

কুড়িগ্রামের উলিপুরে দক্ষিণ সাদুল্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অর্থ বছরে কয়েকটি প্রকল্পের নাম ভাঙিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে।

উপজেলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি হওয়ার সুবাদে প্রতি অর্থ বছরেই তার প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের নামে প্রায় প্রতিটি বরাদ্দই দিতে বাধ্য হন উপজেলা শিক্ষা অফিসার। ইতিপূর্বে এ সবের কারণে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাথে বিবাদ হয় সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের। দক্ষিণ সাদুল্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৯/২০ অর্থ বছরে স্লিপ এর ৭০ হাজার টাকাসহ পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ ছিলো ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ।

সরেজমিনে দেখা যায়, দরজা, জানালা, ওয়াল প্লাস্টার, গৃহ রং ও আসবাবপত্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ থাকলেও কাজের কাজ হয়েছে নামকাওয়াস্তে। শুধুমাত্র চুনকাম করে সমুদয় টাকা লোপাটের চিত্র ছাড়া আর কিছুই নেই ওই প্রতিষ্ঠানের কাজে। সেই চুনকামও উঠে গেছে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই। প্লাস্টার করা হয়নি বারান্দা ও বিভিন্ন স্থানে খসে যাওয়া ওয়ালেরও। এমনকি ওয়ালে লেখা বিদ্যালয়ের নামও কালো রং করতে কার্পন্যতার বাকি নেই ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের। হলুদ রং দিয়ে লেপ্টে দেয়া হয়েছে সেই নাম। ফলে নাম ফলকহীন হয়ে পড়েছে দক্ষিণ সাদুল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

২০১৮/১৯ অর্থ বছরেও স্লিপ এর বরাদ্দ ছিলো ৭০ হাজার টাকা। ওই টাকা ব্যয় খাতের ধরনও একইরকম। আরো পিছিয়ে দেখলে ২০১৭/১৮ অর্থ বছরে মেরামতের জন্য বরাদ্দ ছিলো ১ লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে কথা হলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আসলে আমাদের বলার কিছুই নেই আমরা প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবেই তার কাছে জিম্মি। এমনকি তার সুপারিশ ছাড়া শিক্ষা অফিসে কোনো কাজ হয় না।”

প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “ কোনো টাকাই আত্মসাৎ করা হয় নাই। বিদ্যালয়ে কক্ষ বৃদ্ধি করতে পার্টিশন দিয়েছি ও শিক্ষার্থীদের জন্য সিলিং ফ্যান কিনেছি।” একই প্রতিষ্ঠানে বারংবার বরাদ্দের ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাদিরউজ্জামান বলেন, “আমি নতুন এসেছি এ সব বিষয়ে আমার বলার কিছুই নেই।”

এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি মোজাফফর হোসেনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি সেল ফোন রিসিভ করেননি। তবকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, “সংস্কার সংক্রান্তসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য বিষয়ের কোনো মিটিং এ আমাকে ডাকা হয় না শুধু স্বাক্ষর নেয়ার দরকার হলে তখন ডাক পড়ে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©