1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

নবী মুহাম্মাদ (স.) এর মর্যাদাঃ মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী

উপসম্পাদকীয়
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৭৭ Time View

যাকে সৃষ্টি করা না হলে বিশ্ব তথা আকাশ-পাতাল, লৌহ – কলম, মানব – দানব, পশু- পাখি, আলো- বাতাস, আগুন- পানিসহ বিশ্ব চরাচর কিছুই সৃষ্টি করা হতো না, তাঁর পরিপূর্ণ সম্মান ও মর্যাদা বর্ণনা করার শক্তি ও হিম্মত কার আছে ! আল্লাহ পাকের ঘোষণাঃ
وَرَفَعۡنَا لَكَ ذِكۡرَكَ. (الانشراح: ٤)

“আমি আপনার খ্যাতিকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি।” (আল-ইনশিরাহ-৪)

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে সমবেত হতে এবং শিশু জন্মের পর আজান ও ইকামতে, নামাজের তাশাহ্হুদ ও দরুদে প্রতিনিয়ত বিশ্বব্যাপী লক্ষ-কোটি উম্মতের ভক্তি গদগদ কন্ঠে তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে,

“أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ الله”
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্ –
“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।”  নির্বংশ বলে সম্বোধন কারী আবু জাহেল, আবু লাহাব ও তাদের উত্তরসূরিদের মুখে ইহা চুন- কালি বৈ নয় কি?

★ নিম্নে নবী (স.) এর মর্যাদা সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো:

১. তিনি ছিলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী।

# স্বয়ং আল্লাহপাক নবী (স.) এর উত্তম চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে বলেন,

وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٖ. (القلم: ٤)

“আর অবশ্যই তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত। (আল-কালাম: ৪)

# রাসূলুল্লাহ (স.) নিজেই বলেন,

«إِنَّمَا بُعِثْتُ لأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الأَخْلاَقِ»

“নিশ্চয় আমি মহৎ চারিত্রিক গুণাবলীর পূর্ণতা দান করার উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছি।” (সুনান বায়হাকী: ২০৫৭১)

# মা আয়েশা (রা.) বলেন,
خلقه القران –
ক্বুরআনই হলো তাঁর (নবী স.)চরিত্র।
(মিশকাত)

২. তিনি বিশ্ববাসীর জন্য রহমাত স্বরূপ।

সারা আরব দেশ যখন ছিল মারা-মারি, কাটা-কাটি, হিংসা-বিদ্বেষ,যিনা-ব্যভিচার, মদ-জুয়ার সয়লাব। নারীদেরকে
হাটে-বাজারে পন্যের মত বিক্রি করা হতো। কন্যা সন্তান জন্মের সাথে সাথে জীবন্ত প্রোথিত করা হতো। আপন বোনকে এবং পিতার মৃত্যুর পর মাকে বিবাহ করা হতো। নারীদের উত্তরাধিকার সম্পদ হতে বঞ্চিত করা হতো। তখন আল্লাহ তা‘আলা বিশ্ববাসীর জন্য রহমাত স্বরূপ তাঁকে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তিনি সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
এমর্মে আল্লাহপাক ঘোষণা করেন –

وَمَآ أَرۡسَلۡنَٰكَ إِلَّا رَحۡمَةٗ لِّلۡعَٰلَمِينَ. (الانبياء: ١٠٧)

“আর আমি তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্যে কেবল রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।”  (আম্বিয়া:১০৭)

# আল্লাহপাক আরও ঘোষণা করেন,

لَقَدۡ مَنَّ ٱللَّهُ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ إِذۡ بَعَثَ فِيهِمۡ رَسُولٗا مِّنۡ أَنفُسِهِمۡ يَتۡلُواْ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتِهِۦ وَيُزَكِّيهِمۡ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَإِن كَانُواْ مِن قَبۡلُ لَفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ.(ال عمران: ١٦٤)

“অবশ্যই আল্লাহ মুমিনদের উপর অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের মধ্য থেকে তাদের প্রতি একজন রাসূল পাঠিয়েছেন,
যে তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধ করে আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়। যদিও তারা ইতঃপূর্বে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে ছিল।”(আলে ইমরান: ১৬৪)

৩. তিনি হচ্ছেন শেষ নবী। তারপর আর কোনো নবী আসবেন না। আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেন,

مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَآ أَحَدٖ مِّن رِّجَالِكُمۡ وَلَٰكِن رَّسُولَ ٱللَّهِ وَخَاتَمَ ٱلنَّبِيِّ‍ۧنَۗ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٗا. (الاحزاب: ٤٠)

“মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আর আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।” (আল-আহযাব: ৪০)

৪. সকল নবী-রাসূলদের উপর ৬ টি বিষয়ে তাঁকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে।
এমর্মে তিনি নজেই বলেন,

فُضِّلْتُ عَلَى الأَنْبِيَاءِ بِسِتٍّ أُعْطِيتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَأُحِلَّتْ لِىَ الْغَنَائِمُ وَجُعِلَتْ لِىَ الأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا وَأُرْسِلْتُ إِلَى الْخَلْقِ كَافَّةً وَخُتِمَ بِىَ النَّبِيُّونَ.

“ছয়টি দিক থেকে সকল নবীদের উপর আমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে। ১.আমাকে জাওয়ামি‘উল কালিম তথা ব্যাপক অর্থবোধক সংক্ষিপ্ত বাক্য বলার যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে। ২.আমাকে ভীতি (শত্রুর অন্তরে আমার ব্যাপারে ভয়ের সঞ্চার করা) দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে।
৩. গনীমতের মাল আমার জন্যে বৈধ করা হয়েছে। ৪.আমার জন্যে সকল ভূমিকে পবিত্র ও সিজদার উপযুক্ত করা
হয়েছে। ৫.আমি সকল মানুষের তরে প্রেরিত হয়েছি। ৬.আমার মাধ্যমে নবুওয়ত পরস্পরা শেষ করা হয়েছে।(সহীহ মুসলিম: ১১৯৫)

৫. তাঁকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসা ঈমানের দাবী।

কুরআনে বলা হয়েছে,
ٱلنَّبِيُّ أَوۡلَىٰ بِٱلۡمُؤۡمِنِينَ مِنۡ أَنفُسِهِمۡۖ.
(الاحزاب: ٦)
“নবী, মুমিনদের কাছে তাদের নিজদের চেয়ে ঘনিষ্ঠতর”। [সূরা আল-আহযাব: ৬]

৬. ক্বিয়ামতের দিন তাঁর শাফা‘আত কবুল করা হবে। নবী (স.) বলেন,

أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ ، وَلاَ فَخْرَ ، وَأَنَا أَوَّلُ مَنْ تَنْشَقُّ الأَرْضُ عَنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، وَلاَ فَخْرَ ، وَأَنَا أَوَّلُ شَافِعٍ ، وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ ، وَلاَ فَخْرَ ، وَلِوَاءُ الْحَمْدِ بِيَدِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، وَلاَ فَخْرَ.

“কিয়ামতের দিন আমি সকল আদম সন্তানের নেতা। এতে কোনো গর্ব-অহঙ্কার নেই। সেদিন আমার হাতে প্রশংসার ঝাণ্ডা থাকবে তাতে কোনো গর্ব-অহঙ্কার নেই। আদম থেকে নিয়ে যত নবী-রাসূল আছেন সকলেই আমার ঝাণ্ডার নীচে থাকবেন। আমি হচ্ছি প্রথম সুপারিশকারী এবং আমার সুপারিশই সর্বপ্রথম কবুল করা হবে। এতে কোনো গর্ব-অহঙ্কার নেই।” (ইবন মাজাহ: ৪৩০৮)

৭. তিনিই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তি । এমর্মে তিনি নিজেই বলেন,

آتِى بَابَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَسْتَفْتِحُ فَيَقُولُ الْخَازِنُ مَنْ أَنْتَ فَأَقُولُ مُحَمَّدٌ. فَيَقُولُ بِكَ أُمِرْتُ لاَ أَفْتَحُ لأَحَدٍ قَبْلَكَ»

“জান্নাতের দরজায় আমিই সর্বপ্রথম করাঘাত করব, তখন খাযেন (প্রহরী) জিজ্ঞেস করবে, কে আপনি? আমি বলব, মুহাম্মাদ। সে বলবে, আপনার জন্যেই খোলার ব্যাপারে নির্দেশিত হয়েছি, আপনার পূর্বে কারো জন্যে খুলব না।” [মুসলিম: ৫০৭]

৮. তাঁর নাম শুনলে সালাত ও সালাম দিতে হয়।
# এ মর্মে তা’আলা বলেন,

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ صَلُّواْ عَلَيۡهِ وَسَلِّمُواْ تَسۡلِيمًا (الاحزاب: ٥٦)

“হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর উপর দরূদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।”

# এমর্মে নবী (স.) বলেছেন,

مَنْ صَلَّى عَلَيَّ صَلاَةً وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرَ صَلَوَاتٍ ، وَحَطَّ عَنْهُ بِهَا عَشْرَ سَيِّئَاتٍ ، وَرَفَعَهُ بِهَا عَشْرَ دَرَجَاتٍ.

“যে ব্যক্তি আমার উপর একবার সালাত পাঠ করবে আল্লাহ তাকে দশবার সালাত পাঠ করেন, দশটি গুনাহ মুছে দেবেন এবং দশটি মর্যাদায় ভূষিত করবেন।” (সুনান নাসাঈ: ১২৯৭)

৯. তাঁর উপর কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে।

আল্লাহ তা‘আলা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য যেসব কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, তার মধ্যে আল-কুরআন হলো সর্বশেষ আসমানী কিতাব, যা মুহাম্মাদ (স.) এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। যার মাধ্যমে আমরা খোঁজে পাই জান্নাত ও আল্লাহর রেজামন্দী। খোঁজে পাই দুনিয়ার শান্তি ও আখেরাতের মুক্তির পথ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন

وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَءَامَنُواْ بِمَا نُزِّلَ عَلَىٰ مُحَمَّدٖ وَهُوَ ٱلۡحَقُّ مِن رَّبِّهِمۡ كَفَّرَ عَنۡهُمۡ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ وَأَصۡلَحَ بَالَهُمۡ. (محمد:٢)

“আর যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে ঈমান এনেছে, আর তা তাদের রবের পক্ষ হতে (প্রেরিত) সত্য, তিনি তাদের থেকে তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেবেন এবং তিনি তাদের অবস্থা সংশোধন করে দেবেন।” (সুরা মুহাম্মাদ: ২)

১০. তাঁর আদর্শই সর্বোত্তম আদর্শ।
এমর্মে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

لَّقَدۡ كَانَ لَكُمۡ فِي رَسُولِ ٱللَّهِ أُسۡوَةٌ حَسَنَةٞ لِّمَن كَانَ يَرۡجُواْ ٱللَّهَ وَٱلۡيَوۡمَ ٱلۡأٓخِرَ وَذَكَرَ ٱللَّهَ كَثِيرٗا. (الاحزاب: ٢١)

“যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্যে রাসূলুল্লাহর মাঝেই রয়েছে উত্তম আদর্শ।” (আল-আহযাব : ২১)

১১. তাঁর অনুসরণের মাঝেই আল্লাহর ভলোবাসা ও ক্ষমা নিহিত। এই মর্মে আল্লাহপাক ঘোষণা করেন,

قُلۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تُحِبُّوۡنَ اللّٰه فَاتَّبِعُوۡنِیۡ یُحۡبِبۡکُمُ اللّٰه وَ یَغۡفِرۡ لَکُمۡ ذُنُوۡبَکُمۡ ؕ وَ اللّٰه غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ۰
(ال عمران: ۳۱)

“তুমি বলঃ যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস তাহলে আমার অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসেন ও তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করেন; এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।”
(আল- ইমরান- ৩১)

★ নবী (স.) পৃথিবীতে আজ বেঁচে নাই। বেঁচে আছে তার আদর্শ; বেঁচে আছি আমরা তাঁর লক্ষ-কোটি রুহানি সন্তান ; উম্মত। আমরা ব্যাক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মাঝেই যেন তাঁর ভালোবাসা খুঁজি; খুঁজি জান্নাতের খুশবু । তাঁরই বাণীঃ
من أحب سنتی فقد أحبنی ومن أحبنی فقد کان معی فی الجنة۰
“যে আমার সুন্নাহ্কে ভালোবাসল সে অবশ্যই আমাকে ভালোবাসল। আর যে আমাকে ভালোবাসল সে আমার সাথে জান্নাতে অবস্থান করবে।” (মিশকাত)


লেখক- মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী।
উপাধ্যক্ষ,
গৈড্যা এম,এস,ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা।
ভেদরগঞ্জ,শরীয়তপুর।
ইসলামী চিন্তাবিদ ও লেখক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©