1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

থ্যালাসেমিয়া নিয়ে কিছু কথা, বাঁচতে হলে জানতে হবে

সাকিব হোসেন, পত্নীতলা প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৭৭ Time View

Thalassemia জিনঘটিত বংশগত রক্তের একটি রোগ। এই রোগ সাধারনত বাবা মা হতে সন্তানের হয়ে থাকে। প্রতিবছর সারা বিশ্বে ১ লক্ষের বেশি এবং বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহন করে। বর্তমানে সারাদেশে ৬০ হাজারের বেশি শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ১ কোটি ১০ লক্ষ্য মানুষ অজ্ঞাতসারে থ্যালাসেমিয়ার “বাহক”(চিন্তা করা যায়)।

এই রোগের চিকিৎসা হলো তিন মাস পর পর রক্ত দেয়া (কি ভয়াবহ ব্যপার)। তাতেও পুরু সুস্থতা পাবে এমন নয় যতদিন বাচবে এভাবে রক্ত দিতে হবে, সময় মত রক্ত না দিলে Heart failure হয়ে রোগী মারা যেতে পারে আবার অতিরিক্ত রক্ত দেয়ার ফলে শরীরে আয়রন জমে যকৃত নষ্ট হয়েও মারা যেতে পারে । স্থায়ী চিকিৎসা Bone Marrow transplantation যা বাংলাদেশে প্রায় অসম্ভব এবং খুবই ব্যায় বহুল।

চলুন আজকে জেনে নেই কিভাবে আমাদের শিশুকে থ্যালাসেমিয়া থেকে প্রতিরোধ করবো। চাইলেই এটি প্রতিরোধ সম্ভব। এইটি কোন ছোঁয়াচে রােগ নয় এটি বংশগত রোগ। বিবাহের পূর্বে তরুন তরুনীদের রক্তের একটি পরিক্ষার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা যায়। “হিমোগ্লোবিন_ইলেক্ট্রফোরেসিস ” করলে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়।কাদের সম্ভবনা আছে?হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রফোরেসিস করলে এটি নিশ্চিত হওয়া যাবে যে কারা কারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক।

যদি বাবা অথবা মা শুধু মাত্র একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক এবং একজন সুস্থ্য হয়ে থাকে তাহলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া থেকে শতভাগ মুক্ত থাকার সম্ভবনা ৫০ ভগ এবং তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়ার সম্ভবনা ৫০ ভাগ । যদি বাবা অথবা মা দুজনেই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়ে থাকেন তাহলে তাদের সন্তান শতভাগ থ্যালাসেমিয়ার মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২৫ ভাগ, থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়ার সম্ভবনা ৫০ ভাগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২৫ ভাগ যদি বাবা মা দুজনেই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত থাকে তাহলে তাদের সন্তান ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হবে। যদি বাবা অথবা মা যে কোন একজন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হন এবং একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন তাহলে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ ভাগ এবং থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়ার সম্ভবনা ৫০ ভাগ।

তাহলে দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক এমন তরুন তরুনী বিবাহ বন্ধন হতে বিরত থাকলেই এটি অনেক অংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাছাড়া গর্ভস্থ সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত কিনা নিম্ন পরীক্ষাগুলো করে জানা যায:
কোরিওনিক ভিলিয়াস স্যাম্পলিং (Chorionic villus sampling)
–>অ্যামনিওসেনটিসিস (Amniocentesis)
–>ফিটাল ব্লাড স্যাম্পলিং (Fetal blood sampling)

তাহলে আমাদের অনাগত প্রজন্ম যাতে থ্যালাসেমিয়ার মত একটি ভয়াবহ রোগ নিয়ে না জন্মায়, তার জন্য আমাদের প্রত্যেককে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতন হতে হবে ।
“সচেতন হই থ্যালাসেমিয়া মুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গিকারে”
সৌজন্যেঃ সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন, সাপাহার নওগাঁ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©