1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প

গরিবের মঙ্গা প্রকল্পের টাকা উপজেলা চেয়ারম্যানের পকেটে!

ফখরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৮০৪ Time View

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নে চরদুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২০২০-২১ অর্থ বছরে কর্মসৃজন কর্মসূচি (মঙ্গা) প্রকল্পে ৮৮৬ জন শ্রমিক রাস্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক মাটির কাজ করেন। শ্রমিকরা দু’দফায় ৮০ দিন কাজ করেন। দুশো টাকা করে ৮৮৬জন শ্রামকের ৮০ দিনের পাওনা হিসেবে ১ কোটি ৪১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। প্রতি শ্রমিকের জন্য ১৬ হাজার টাকা বরাদ্দ তোলা হলেও বিভিন্ন খরচের কথা বলে ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলী মন্ডল ও মেম্বারগণ প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা করে কর্তন করার সিদ্ধান্ত জানালে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়। পরে ব্যাংক কর্মকর্তারা ১৬ হাজার টাকা করে শ্রমিকদের হাতে তুলে দিলেও বাইরে অপেক্ষায় থাকা চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ তাদের বাহিনী ৪ হাজার টাকা করে কেটে নেয়।

এসময় হুড়োহুড়িতে কয়েকজন শ্রমিক টাকা না দিয়ে পালিয়ে গেলে পরে মধ্যরাতে তাদেরর বাড়ী বাড়ী গিয়ে টাকা জোড় করে তুলে নেয় এই সন্ত্রাসী দলটি। এভাবে ৩৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় এমপি’র কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম লিখিত অভিযোগে জানান. তিনি স্থানীয় নন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান দৈ খাওয়ার চর নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। করোনাকালিন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পেটের দায়ে ওই প্রধান শিক্ষক ও তার অপর ৫ শিক্ষক আত্মমর্যাদা জলাঞ্জলি দিয়ে কাজ নেন সরকারের কর্মসৃজন প্রকল্পে। সেখানে তারা ৮০ দিন কাজ করে ১৬ হাজার টাকা পেলেও তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা জোড় করে হাতিয়ে নেয়।

নুরল ইসলাম আরো জানান, ব‌্যাংক কর্মকর্তা‌দের কাছ থে‌কে মজুরির টাকা নিয়ে বের হতেই বারান্দায় বসে থাকা আলী হোসেন, ইউসুফ আলী ও আয়নাল হক মৃধা এই ৩ ব্যক্তি প্রত্যেক উপকারভোগিদের কাছ থে‌কে জোড় করে ৪ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এসময় আ‌মিসহ অন্য শিক্ষকরা চার হাজার ক‌রে টাকা দি‌তে অস্বীকৃতি জানাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউসুফ আলী গংরা হুম‌কি ধাম‌কি দেন। তারা ব‌লেন, উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান গোলাম হো‌সেন মন্টুর নির্দেশে টাকা তোলা হচ্ছে। এতে বাধ্য হয়েই তিনিসহ তার স্কুলের শিক্ষক মনসুর আলী, শাহীন আলম, শহিদুল আলম এবং শহিদুল ইসলাম তাদেরকে ২০হাজার টাকা দেন। প‌রে অসহায় শিক্ষকরা তাদের দেয়া ২০হাজার টাকার মধ্যে ১০হাজার ফেরত চে‌য়ে হা‌তে পা‌য়ে ধর‌লেও মন গ‌লেনি স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানের। বরং তারা উল্টো তাদের জীবননাশের হুমকি দেন।

তিনি আরও ব‌লেন, গত ৩ জুলাই মঙ্গলবার সকাল সা‌ড়ে দশটার দি‌কে উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যা‌নের তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে ফোন দিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং আমাকে প্রাণনা‌শের হুম‌কি দেন। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় এম‌পি বরাবর এক‌টি লি‌খিত অ‌ভি‌যোগে দায়ের করেন তিনি।

এ বিষ‌য়ে উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান গোলাম হো‌সেন মন্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন মন্তব্য করতে পারব না।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ‌রেজাউল ক‌রিম ব‌লেন, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ভিডিও ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্ট ইউএনও কে বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তদন্তের প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই শিক্ষকের লিখিত অভিযোগ এখনও পাইনি বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উলিপুর ইউএনও নুরে জান্নাত রুমি জানান, ঘটনা শুনেছি। এখনো নির্দেশপত্র হাতে পাইনি। পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস‌্য অধ‌্যাপক এমএ ম‌তিন অভিযোগ পাবার কথা স্বীকার করে বলেন, একজন শিক্ষক কতটুকু অসহায় হলে শ্রমিকের কাজ করতে পারেন। আর তাদের ন্যায্য মজুরি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃণিত। শুধু এসব শিক্ষকদের নয়, সেখানে বেশির ভাগ উপকারভোগির কাছ থেকে একইভাবে ৪হাজার করে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এর সত্যতা পাই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার সুপারিশ করব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©