1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

কীর্তিনাশা নদীর উপর ঝুঁকিপুর্ণ দুইটি সেতু, সরকারের সদয় দৃষ্টির প্রতিক্ষা অসহায় জনতার

সিফাত উল্লাহ আফিফ, শরিয়তপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৭ Time View

শরীয়তপুর থেকে ঢাকা মহাসড়কে শরীয়তপুর সদর উপজেলায় কীর্তিনাশা নদীর ওপরে নির্মিত কোটাপাড়া ব্রিজ ও জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট ব্রিজ দুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অপ্রশস্ত। যাতে পাশাপাশি দুটি গাড়ি চলাচল করতে পারে না বলে শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন। সেতুটির ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন।

যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে যাত্রী সাধারণ ও পথচারীরা। স্থানীয় ও বাস মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর থেকে ঢাকা মহাসড়কে শরীয়তপুর সদর উপজেলার কোটাপাড়া নামক স্থানে কীর্তিনাশা নদীর ওপরে নির্মিত প্রাচীন ও সরু সেতুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।


৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৯২-৯৩ অর্থ বছরে কীর্তিনাশা নদীর ওপর ১১০ মিটার দৈর্ঘ্যে এ সেতুটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর নির্মাণ করে।

এরপর শরীয়তপুর থেকে ঢাকা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হলে রাস্তাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগকে (সওজ) হস্তান্তর করা হয়। এ ব্রিজটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয় সওজ।

প্রাচীন এ ব্রিজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা থেকে শরীয়তপুর এবং শরীয়তপুর থেকে ঢাকাগামী যানবাহনসহ হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে। বর্তমানে সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও নড়বড়ে। ভারী যানবাহন সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করলে সেতুটি দু’দিকে দুলতে থাকে। সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ে আহত হয়েছেন অনেকেই।

পারাপারের সময় একদিক থেকে গাড়ি উঠে গেলে অপর প্রান্তের গাড়ি পেছনে গিয়ে স্থান ছেড়ে দিতে গিয়ে উল্টে যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রায়ই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচলরত গাড়ি চালকদের আশঙ্কা যে কোনো সময় ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ দিকে একই মহাসড়কে জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট নামক স্থানে একই অর্থবছরে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০৯ মিটার দৈর্ঘ্যে কাজিরহাট মরা পদ্মার ওপর নির্মিত কাজিরহাট সেতুটিও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ও সরু। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে হাটের দিন অর্থাৎ প্রতি বৃহস্পতি ও রোববার ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি পারাপার করা খুবই কষ্টকর।

সকাল ৯টার পর থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। ব্রিজের ওপর দিয়ে পাশাপাশি দুটি গাড়ি পারাপার হতে পারে না। ফলে ব্রিজের দু’পাড়ে অপেক্ষা করে শত শত যানবাহন। এছাড়া ঢাকা যাওয়ার বিকল্প কোনো রাস্তাও নেই। ফলে কষ্ট করেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন। যে কোনো সময় এ সেতুটিও ভেঙে পড়ে জানমালের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

জরুরিভিত্তিতে এ সেতুটিও পুনর্নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছে শরীয়তপুরবাসী। গাগড়িজোড়া এলাকার সামসুদ্দিন সরদার বলেন, কোটাপাড়া ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্রিজের রেলিং ভেঙে অনেকেই আহত হয়েছে। নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি। অন্যথায় জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। শরীয়তপুরের বাসচালক মো. মিলন বলেন, কোটাপাড়া ও কাজিরহাট ব্রিজ দুটো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি নিয়ে ব্রিজের ওপর দিয়ে পারাপার হই।

জরুরিভিত্তিতে সেতু দু’টি পুনর্নির্মাণ করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশংকা পথচারীদের। শরীয়তপুর বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদার বলেন, আমরা সড়ক ও জনপথে লিখিত আবেদন করেছি। তারপরও তেমন কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান বলেন, এ সেতু দুটি দীর্ঘদিন পূর্বে এলজিইডি নির্মাণ করেছিল। বর্তমানে সেতুগুলো কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। পদ্মা সেতুর ফোর লেন রাস্তার প্রকল্পের সঙ্গে এ সেতু দুটি নির্মাণ কাজ অনুমোদন হয়েছে। অর্থ ছাড় পাওয়া গেলে সেতু দুটি নতুন করে নির্মাণের কাজ শুরু করব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©