1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

কার্জন হলের আদলে দৃষ্টিনন্দন ক্যালিগ্রাফি আঁকলেন ঢাকা কলেজের মুনতাসীর

লিটন হোসেন, ঢাকা কলেজ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩ Time View

স্থাপত্য শিপ্লের অনন্য এক শৈল্পিক নিদর্শন কার্জন হলের মতো দেখলেও এটি সুরা ইয়াসিন-এর প্রতিচ্ছবি। দৃষ্টিনন্দন এ ক্যালিগ্রাফি করেছেন ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তরুণ ক্যালিগ্রাফার মুনতাসীর হক মুন।

সুরা ইয়াসিনের দৃষ্টিনন্দন এ ক্যালিগ্রাফিটি দেখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুল পরিচিত কার্জন হলের মতো। প্রথম দেখাতেই যে কেউ এটিকে মনে করবে ঢাকার কার্জন হল। শিল্পী মুনতাসীর হক কার্জন হলের আদলেই সুরা ইয়াসিনের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন।
ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মুনতাসীর হক মুন ৮৩ আয়াত সমৃদ্ধ পুরো সুরাটিসহ আল্লাহর গুণবাচক ২০-২২টি নাম দিয়ে এ ক্যালিগ্রাফিটি সাজিয়েছেন।
শুধু কার্জন হলের আদলেই নয়, বরং মুনতাসীর হক আরবি অনেক শব্দ ব্যবহার করে এঁকেছেন নান্দনিক সব ক্যালিগ্রাফি। কার্জন হলের মূল যে ভবনটি আমরা দেখতে পাই হুবহু সেটির আদলেই করেছেন কার্জন হলের ক্যালিগ্রাফিটি।

বাংলাদেশে রয়েছে চোখ জুড়ানো ঐতিহাসিক সব স্থাপনা। যেগুলোর সুন্দর স্থাপত্যশৈলী আর দৃষ্টিকাড়া দৃশ্য মন ছুঁয়ে যায় সবারই। তেমন স্থাপনা নিয়েই কাজ করেছেন বয়সে তরুন এই ক্যালিগ্রাফার।

প্রথমে পুরাতন নান্দনিক ও ইতিহাস বহনকারী ভবনগুলোর মধ্যে কার্জন হল ও তাঁরা মসজিদের ক্যালিগ্রাফি করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন।
সময় স্বল্পতা ও আনুষঙ্গিক উপাদান না থাকায় তাঁরা মসজিদের উপর আর কাজ করা না হলেও কার্জন হলের ক্যালিগ্রাফি এঁকে আর্ট জগতে এরইমধ্যেই সাড়া ফেলেছেন তরুণ এই ক্যালিগ্রাফার।

ক্যালিগ্রাফির উপর তেমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকা সত্ত্বেও আরবি হরফে নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কার্জন হলের চিত্র।

সাঁড়া জাগনো এই ক্যালিগ্রাফি সম্পর্কে জানতে চাইলে মুনতাসীর হক মুন বলেন, স্ট্রাকচারাল ক্যালিগ্রাফির উপর মূলত কাজ শুরু করি। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোটখাটো বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ভবন, নান্দনিক ডিজাইন এবং প্রাচীন নানা জিনিস।

প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী একটি ভবন হচ্ছে এই কার্জন হল তাই এটা নিয়ে আমার কাজ করা। আমি যেহেতু কুরআনের হাফেজ; তাই কুরআন নিয়েই কাজটি করি। এতে পুরো সুরা ইয়াসিন ও আল্লাহর ২০-২২টি গুণবাচক নাম দিয়ে আঁকি।

কার্জন হল নিয়ে যখন আমি কাজ শুরু করি তখন দৈনিক প্রায় ১২-১৩ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। এভাবে কাজটি শেষ করতে প্রায় ১৪-১৫ দিন সময় লেগেছে।
এই ক্যালিগ্রাফিটি নিয়ে এখন পর্যন্ত ৪ টি এক্সিবিশনে অংশ নিয়েছি যার মধ্যে তিনটি এক্সিবিশনই ছিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ও বাকিটি ধানমন্ডিতে হয়েছে বলেও জানান তিনি৷

একেবারে শখের বসে শুরু করা ক্যালিগ্রাফি এখন সম্পূর্ন পেশা হিসেবেই নিয়েছেন এই শিক্ষার্থী৷ ধরেছেন সংসাসের হাল৷ তার আঁকা ক্যালিগ্রাফি সর্বনিম্ন আড়াই হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ বিশ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

যান্ত্রিক এই যুগে নিপুন হাতের ছোঁয়াতে মুনতাসীর মুনের এই ক্যালিগ্রাফি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে একদিন তুলে ধরবে এমন প্রত্যাশা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীদেরও।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©