1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ শাহজাদপুরে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ল ৩৬ লাখ টাকার ব্রীজ মসিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

ইসলাম একমাত্র পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ও জীবন ব্যবস্থা

সাহিত্য অবিরাম
  • Update Time : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১২৩ Time View

ইসলাম (إسلام) আরবী শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ আনুগত্য,আত্মসমর্পণ,বশ্যতাস্বীকার করা, নিঃশর্ত হুকুম পালন। ইসলাম অর্থ শান্তি,যেহেতু ইসলামের মাধ্যমে সামগ্রিক জীবনে শান্তিড ও নিরাপত্তা এসে থাকে।  ইসলামের পারিভাষিক অর্থ হলো :هو التسليم والإنقياد لأوامرالله ورسوله۰
“আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের নির্দেশসমূহ মেনে চলা ও সেগুলোর অনুসরণ করাই  হলো ইসলাম। ” 
ইসলাম অন্যান্য ধর্মের মত একটি মাত্র ধর্ম সর্বশ্ব নয়। ধর্ম ইসলামের একটি শাখা মাত্র। ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত ও মনোনীত একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। 
* আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন, ,إِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ الْإِسْلاَمُ  ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন-জীবন বিধান  হলো ইসলাম’ (আলে ইমরান -১৯)
 * আল্লাহ পাকআরো ঘোষণা করেন,
 اَلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِيْنَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِيْ وَرَضِيْتُ لَكُمُ الْإِسْلاَمَ دِيْنًا- ‘আজ তোমাদের জন্য দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার নে‘মাত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসাবে মনোনীত করলাম’। (মায়েদা- ৩)
★ আল্লাহপাকের ঘোষণানা অনুযায়ী ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। কোন জীবনব্যবস্থা ” পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা” হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে তার মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। 
০১.তাতে স্রষ্টার পরিচয় থাকতে হবে।
০২.তাতে সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ও সন্তোষজনক বক্তব্য থাকতে হবে।০৩.তাতে অদৃশ্য বিষয়সমূহ যেমন মৃত্যুর পরবর্তী জীবন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ও সন্তোষজনক বক্তব্য থাকতে হবে।
০৪. সেটি অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং গোপন এবং প্রকাশ্য সর্বজান্তার প্রদত্ত হতে হবে।  ০৫.তাতে মানব জীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। ০৬.তা অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করার নমুনা থাকতে হবে।
০৭. তাতে সততা, ন্যায়নীতি ও  পুণ্যকর্মের জন্য পুরস্কার লাভের নিশ্চিত ব্যবস্থা থাকবে।০৮. তাতে অন্যায়, দুষ্কর্ম ও জুলুমের জন্য উপযুক্ত শাস্তির বিধান থাকতে হবে।
০৯.  তা সর্বকালীন,সর্বজনীন ও সব মানুষের উপযোগী হতে হবে। 
১০. তা সম্পূর্ণ অবিকৃতির নিশ্চয়তা থাকতে হবে।
নিরপেক্ষ মনে কোন ব্যাক্তি বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাবে যে,পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার এ সব শর্তাবলী একমাত্র ইসলামেই রয়েছে পূর্ণমাত্রায়। বিশ্বের অন্য সব ধর্ম ও মতবাদে কোনো না কোনোটার অভাব রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত বৌদ্ধ, ইহুদী, খ্রিষ্টান সহ অন্যান্য ধর্মে এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ,  মার্কসীয় কম্যুনিজম, সোস্যালিজম,  এবং অন্যান্য দার্শনিক মতবাদ কোনোটাতেই মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা তো নেই, তা সাধারণ জীবনব্যবস্থা হওয়ারই যোগ্য নয়। ইসলাম ছাড়া সব ধর্মই কেবল কতিপয় নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উপদেশই দিয়েই  ক্ষ্যান্ত থাকে। মানব জীবনের বিশাল অংগন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক, বৈজ্ঞানিক আইন ও বিচার বিভাগীয়, কৃষি ও শিল্পনীতি সম্পর্কীয় কোনো বিধানই সেগুলোতে পাওয়া যায় না। অপরদিকে বিশ্বে যে ধর্মহীন আধুনিক মতবাদ প্রচলিত আছে সেগুলোর সবগুলোরই ভিত্তি স্রষ্টা ও ধর্মবিবর্জিত বস্তুবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তার প্রত্যেকটিই কোনো একটি খণ্ডিত দার্শনিক চিন্তা ভিত্তিক। মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন নিয়ে সেগুলোর কোনোও বক্তব্য নেই। মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা হওয়ার শর্ত ও বৈশিষ্ট্য এসব মতাবাদগুলোতে অনুপস্থিত। ফলে সব মতবাদ কালের স্রোতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অবশিষ্ট থাকছে শুধু ইসলাম। মূলত :  মানুষের  পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হওয়ার সব শর্ত ও বৈশিষ্ট্য কেবল ইসলামেই রয়েছে। তাই দীর্ঘ ১৪০০ বছর ধরে কুরআন-সুন্নাহ অবিকৃত রয়েছে।
নবজাতকের জন্মর সময় কানে আজানের ধ্বনি “আল্লাহু আকবার” এবং মৃত্যুর পর কবরে সমাহিত করার সময় “বিসমিল্লাহি আলা-মিল্লাতি রসূলিল্লাহ” বলার বিধানসহ  জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ধর্মীয়, জৈবিক, নৈতিক,ব্যক্তিগত,পরিবারিক, সমাজিক,বিচারিক,রাজনৈতিক, অর্থনীনৈতিক সাংস্কৃতিক ও  আন্তর্জাতিকসহ সকল সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সুন্দরতম সুষ্ঠ সমাধান ইসলামে বিদ্যমান। 
 কোন্ পথে চললে মানুষের কল্যাণ হবে, কোন্ পথে চললে হবে অকল্যাণ, তা অহীর মাধ্যমে আল্লাহপাক জানিয়ে দিয়েছেন। সেই অহী তথা জীবন বিধানের নামই হচ্ছে ‘আল ইসলাম’।
 * এমর্মে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন, 
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
আজ আমি দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার নে‘মাত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য জীবন ব্যবস্থ হিসেবে মনোনীত করলাম’। (মায়েদা- ৩)
* আল্লাহপাক আরো ঘোষণা করেন,
وَنَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ تِبْيَانًا لِكُلِّ شَيْءٍ  ‘আর আমি তোমার উপরে প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা স্বরূপ কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছি’ ।(নাহল – ৮৯)
*  তিনি আরো ঘোষণা করেন,, مَا فَرَّطْنَا فِيْ الْكِتَابِ مِنْ شَيْءٍ ‘আমি এই কিতাবে (কুরআনে) কোন বিষয়ই লিপিবদ্ধ করতে ছাড়িনি’।(আন‘আম – ৩৮) নবী (স.) এবিধানকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করে বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে গেছেন। তিনি একদিকে যেমন মসজিদের ইমাম ছিলেন, অন্যদিকে তেমনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি, সেনাপতি, বিচারপতি, আদর্শ পিতা, আদর্শ স্বামী, আদর্শ প্রতিবেশী, আদর্শ বন্ধু, আদর্শ কর্মী, আদর্শ শ্রমিক। তিনি আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে অনুসরনের জন্য উত্তম আদর্শ। 
 * এ মর্মে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন, 
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللهَ كَثِيْرًا- ‘”তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখেরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহ্কে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”। (আহযাব ৩৩/২১)
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হওয়া সত্ত্বেও যারা ইসলামের ভিতরে ভালো কর্মের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন ইবাদত (বিদআত) ঢুকিয়ে পালন ও প্রচার করছেন তাদের প্রসঙ্গে ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন,
مَن اِبْتَدَعَ فِي الإِسْلاَمِ بِدْعَةً يَرَاهَا حَسَنَةً فَقَدْ زَعَمَ أَنَّ مُحَمَّدًا خَانَ الرِّسَالَةَ، لِأَنَّ اللهَ تَعَالَى يَقُوْلُ (الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِيْنَكُمْ) فَمَا لَمْ يَكُنْ يَوْمَئِذٍ دِيْنًا فَلَيْسَ الْيَوْمَ دِيْنًا-
‘‘যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে বিদ‘আত সৃষ্টি করল এবং তাকে উত্তম আমল মনে করল, সে ধারণা করল যে, মুহাম্মাদ (ছাঃ) রিসালাতে খিয়ানত করেছেন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ” তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন (ইসলাম) কে পূর্ণাঙ্গ করলাম” সুতরাং নবী (স.) ও সাহাবায়ে আজমাঈনের যুগে যা দ্বীন হিসেবে গণ্য ছিল না, আজও তা দ্বীন হিসাবে পরিগণিত হবে না’’।
 ইসলামের এ শাশ্বত বিধান রচনা করে কিংবা কিছু অংশ সংযোজন বা বিয়োজন করে সমাজ বিনির্মাণের অধিকার আল্লাহ ও তদীয় রাসূল ছাড়া কারো নেই; করলে তা ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা হিসাবে পরিগনিত হতে পারেনা।
*  আল্লাহপাক সুস্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেছেন, الا له الخلق والأمر۰জেনে রেখ, আল্লাহ-ই সৃষ্টি করেছেন এবং হুকুম করার অধিকারও তাঁরই।(আ’রাফ-৫৪)
* আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ. 
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইসলামের মধ্যে পুরোপুরি প্রবেশ করো, আর শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না।” (সূরা বাকারা: ২০৮)
* আল্লাহপাক আরো ঘোষণা করেন, 
وَ لَقَدۡ بَعَثۡنَا فِیۡ کُلِّ اُمَّۃٍ  رَّسُوۡلًا اَنِ اعۡبُدُوا اللّٰہَ  وَ اجۡتَنِبُوا الطَّاغُوۡتَ ۚ فَمِنۡہُمۡ مَّنۡ ہَدَی اللّٰہُ وَ مِنۡہُمۡ مَّنۡ حَقَّتۡ عَلَیۡہِ  الضَّلٰلَۃُ ؕ فَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَانۡظُرُوۡا کَیۡفَ کَانَ عَاقِبَۃُ  الۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۳۶﴾”আল্লাহর ইবাদাত করার ও ত্বাগুতকে বর্জন করার নির্দেশ দেয়ার জন্য আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসূল পাঠিয়েছি; অতঃপর তাদের কতককে আল্লাহ সৎ পথে পরিচালিত করেন এবং তাদের কতকের উপর পথভ্রান্তি সাব্যস্ত হয়েছিল। সুতরাং পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, যারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে তাদের পরিনাম কি হয়েছে!” (নহল-৩৬) “ত্বাগুত” হলো সীমালংঘনকারী ; যিনি আল্লাহর বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে নিজেই আইন রচনা করে এবং মানুষদেরকে তদানুযায়ী চলতে বাধ্য করে। 
* এই মর্মে আল্লাহপাক ঘোষণা করেন, 
إذهب إلی فرعون إنه طغی۰হে মুসা! তুমি ফেরাউনের নিকট গমন করো; কারণ সে সীমা লংঘন করেছে ত্বাগুত হয়েছে। 
কোন মুসলমান ব্যক্তিগত জীবনে ইসলামকে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করবে, আর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অন্য কোন মত ও পথকে গ্রহণ করবে, তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। 
* এমর্মে আল্লাহ তায়ালা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন,
 مَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ.মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী, উপাধ্যক্ষ, গৈড্যা এম,এস, ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা।ভেদরগন্জ,শরীয়তপুর।ইসলামি চিন্তাবিদ  ও প্রবন্ধকার। “যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া কোন বিধান অনুসন্ধান করবে,তার কাছ থেকে তা কখনোই গ্রহণ করা হবে না, আর পরকালে সে চরম ব্যর্থ হবে।”  (আল ইমরান-৮৫)
★ পরিশেষে আল্লাহপাকের দরবারে প্রার্থণা, তিনি যেন আমাদের সকলকে মানবরচিত তন্ত্র-মন্ত্র পরিহার করে একমাত্র আল্লাহর বিধান এবং রাসূলের আদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফীক্ব দান করেন।

ছবি- লেখক

 লেখক-

মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী, উপাধ্যক্ষ, গৈড্যা এম,এস, ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা।ভেদরগন্জ,শরীয়তপুর।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ  ও প্রবন্ধকার। 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©