1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বঙ্গবন্ধুর নামে সমিতি খুলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা আজ মহানবমী, বিষাদে পরিপূর্ণ দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর সালথার বল্লভদী ইউপিতে বিতর্কিত প্রার্থীর মনোনয়নে তৃণমূলে ক্ষোভ আজ মহাঅষ্টমী, মধ্য রাতে সন্ধি পূজা ফরিদপুরের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ফুয়াদ গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভার আগে জেলা সার্কিট হাউজে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মিদের উপর হামলা আহত -২০ কুড়িগ্রামে একদিনের জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রতিকী দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী- ইতি শাহজাদপুরে প্রতিবন্ধী ছালমা হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন প্রফেসর নাছিমউদ্দিন মালিথা’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল শাহজাদপুরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত নৌকার মাঝি প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা

ইসলামে ইখলাসের গুরুত্বঃ মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী

উপসম্পাদকীয়
  • Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৭২ Time View

ইখলাস (إخلاص) আরবী শব্দ। অর্থঃ একনিষ্ঠ,খাঁটি, নির্ভেজাল। রক্ত,পেশাব এবং গোবর থেকে আলাদা বলে পশুর ওলানের খাঁটি ও নির্ভেজাল দুধকে
“লাবানুন খালিস” বলে। পরিভাষায়,
“লৌকিকতা,প্রশংসা,সুখ্যাতি,যশ ও অহংকার মুক্ত একমাত্র আল্লাহ তা’আলার খুশির উদ্দেশ্যে ইবাদাত করাকে ইখলাস বলে।” ইখলাস হলো ইবাদতের রূহ। ইখলাস বিহীন ইবাদত হলো রূহ বিহীন দেহ সাদৃশ; মূল্যহীন। বান্দা, মানুষের কাছে প্রশংসা,সুনাম,সুখ্যাতি, যশ আশা করবে না এবং মহান স্রষ্টার পক্ষ হতেই প্রতিদানের অপেক্ষা করবে; এটাই হলো ইখলাসের মূল কথা। আল্লাহর রেজামন্দী ব্যতীত দুনিয়া তার নিকট ধুলির মর্যাদাও রাখে না।

রাসূল (স.) ইরশাদ করেছেন,

“‏ إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ(رواه البخاری- ۱)
“প্রত্যেক কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, সেই উদ্দেশ্যই হবে তার হিজরতের প্রাপ্য।” (বুখারী-১)

নবী (স.) আরো বলেন, “কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম তিন শ্রেণিরলোকের বিচার করা হবে। প্রথমতঃ সে ব্যক্তি, যে শহীদ হয়েছে তাকে আনা হবে, আল্লাহ্‌ তা‘আলা তাকে তাঁর নিআমত সমূহ স্মরণ করাবেন; সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলবেন, এসব নিআমত ভোগ করে তুমি কী আমল করেছ? সে ব্যক্তি বলবেঃ আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য লড়াই করে শহীদ হয়েছি। তিনি (আল্লাহ্‌) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি যুদ্ধ করেছিলে এই জন্য, যেন বলা হয় অমুক ব্যক্তি বাহাদুর; তা বলা হয়েছে। তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, ফলে তাকে তার মুখের উপর (অধঃমুখে) হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
আর এক ব্যক্তি ইল্‌ম শিক্ষা করেছে এবং লোকদেরকে শিক্ষা দান করেছে এবং কুরআন পাঠ করেছে। তাকে আনা হবে, তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি ইল্‌ম শিক্ষা করেছি, অন্যকেও শিক্ষা দিয়েছি, আর তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি (আল্লাহ্‌ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি ইল্‌ম শিক্ষা করেছিলে এজন্য যেন তোমাকে আলিম বলা হয়। আর কুরআন পাঠ করেছিলে, যেন তোমাকে কারী বলা হয়; তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্বন্ধে আদেশ করা হবে, আর তাকে মুখের উপর হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
আর এক ব্যক্তি আল্লাহ্‌ যাকে প্রশস্ততা (সম্পদ) দান করেছিলেন এবং সর্বপ্রকার মাল দান করেছিলেন, তাকে আনা হবে। তাকে তাঁর নিআমত সম্বন্ধে অবহিত করা হবে, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি তোমার পছন্দনীয় কোনো রাস্তাই ছাড়িনি, তোমার সন্তুষ্টির জন্য যাতে ব্যয় করিনি। তিনি (আল্লাহ্‌ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি এজন্যই ব্যয় করেছ, যাতে দাতা বলা হয়। তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, তাকে তার মুখ নিচের দিকে করে হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (নাসায়ী- ৩১৩৭)

ইখলাসের সাথে ইবাদত করার জন্যই বান্দা আদিষ্ট। যেমন আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন:
وَ مَاۤ اُمِرُوۡۤا اِلَّا لِیَعۡبُدُوا اللّٰہَ مُخۡلِصِیۡنَ لَہُ الدِّیۡنَ ۬ۙ حُنَفَاء (البينة: ۵)
“তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে।”
(সূরা: আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ৫)

রিয়া বা লৌকিকতা এক ধরনের শিরক। শিরকে খফি। শিরক মুক্ত ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহনযোগ্য এবং আল্লাহর দর্শণ লাভের একমাত্র মাধ্যম।

আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন:

فَمَنۡ کَانَ یَرۡجُوۡا لِقَآءَ رَبِّہٖ فَلۡیَعۡمَلۡ عَمَلًا صَالِحًا وَّ لَا یُشۡرِکۡ بِعِبَادَۃِ رَبِّہٖۤ اَحَدًا.

 “অতএব, যে ব্যক্তি তার রবের সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে, কাউকে শরীক না করে।”
(আল কাহাফ -১১০)

সকল কর্মে বান্দার হৃদয়-মন কেবলই আল্লাহ তা’আলার সন্তষ্টি অর্জনের ব্যাকুলতায় থাকবে সর্বদা পাগলপারা ।
এমর্মে আল্লাহপাক বলেন,

قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَ نُسُکِیۡ وَ مَحۡیَایَ وَ مَمَاتِیۡ لِلّٰہ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ.لَا شَرِیۡکَ لَہٗ ۚ وَ بِذٰلِکَ اُمِرۡتُ وَ اَنَا اَوَّلُ الۡمُسۡلِمِیۡنَ.
“হে নবী! তুমি বলে দাওঃ আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সব কিছু সারা জাহানের রাব্ব আল্লাহর জন্য। তাঁর কোন শরীক নেই, আমি এর জন্য আদিষ্ট হয়েছি, আর আমিই হলাম সর্ব প্রথম আত্মসমর্পণকারী ।” (আল-আনামঃ১৬২ – ১৬৩)

পরিশেষে রব্বেকারীমের দরবারে প্রার্থণা, তিনি যেন আমাদেরকে ১. ইখলাস ২. নবী (স.) এর সুন্নাহ্ মাফিক সকল আমল করার তাওফীক্ক দান করেন।

লেখক-

মোঃ খবির উদ্দিন রমিজী,
উপাধ্যক্ষ, গৈড্যা এম,এস, ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর।
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও প্রবন্ধকার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©