1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

আশা ভঙ্গের হতাশা থেকে মুক্তির উপায়

স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসা অবিরাম
  • Update Time : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮০ Time View

 

আমরা নিজেরা যে সব তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই তা থেকে আমাদের সন্তানদের সব সময় রক্ষা করার চেষ্টা করি। সন্তানদের কোনো রকম কষ্টের কথা ভাবতেই আমরা শিউড়ে উঠি, কিন্তু সন্তানদের সব রকমের ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় মাত্রারিক্ত রক্ষণশীল হয়ে উঠি। ফলে, শিশুরা বড় হয়ে ওঠার পর বাস্তব জীবনে যে অসংখ্য সংঘর্ষের মোকাবিলা করতে হবে, সে সম্পর্কে কোনো স্বচ্ছ ধারনা পায় না তাই, জীবনের সকল কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করবার মত যথেষ্ট মানসিক শক্তিও শিশুর মনে জন্মায় না। আমরা ভুলে যাই যে প্রতিটি মানুষকে তার নিজের লড়াই নিজেই লড়তে হয়, আর মা-বাবাই এটা সব চেয়ে ভালো শিক্ষা দিতে পারেন। মনে রাখা প্রয়োজন আমাদের সন্তানরা যতক্ষণ ধাক্কা না খাবে, ততক্ষণ সঠিক পথে চলতে শিখবে না। শিশুরা ভুল করবে আবার সেটা শুধরে নেবে, তবেই না সঠিক সিধান্ত নিতে শিখবে।
আপনার মা-বাবা যদি আপনাকে শিশু বয়সে সঠিক পথ চলবার শিক্ষা না দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জীবনের ত্রুটিগুলো নিজেই শুধরে নিন, আপনার সন্তানকে শেখাবার সাথে সাথে আপনিও শিখে নিন। আপনার সন্তান সব কিছুতেই চৌকস হবে এমন আশাকরা বোকামি। সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাকেও যেন সহজ ভাবে নিতে শেখেন আপনি এবং আপনার সন্তান দুজনেই, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। কার সন্তান কী করছে সেটা আপনার বিষয় না, আপনার সন্তান এবং আপনি কীভাবে পরিস্থিতির মোকাবেলা করবেন সে দিকে মনোযোগ দিন।
আপনার সন্তান যদি শিশুকাল থেকেই শেখে যে, যে কোনো সময় ব্যর্থতার মোকাবেলা করতে হতে পারে, তাহলে সে মানসিক ভাবে অধিক শক্তিশালী হয়ে গড়ে উঠবে। যদিও মা-বাবা হিসাবে সন্তানকে বার বার বিফল হতে দেখা, হোঁচট খেতে দেখাটা আপনার জন্য সহজ বিষয় নয়, আপনার মন চাইবে যতটা সম্ভব ওদের চলার পথ যেন আপনি মসৃণ করতে পারেন।
সেজন্য;
১। আশাভঙ্গ হওয়া বা ব্যর্থতাকে নূতন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে শিখুনঃ
সব চাহিদাই যে পূর্ণ হয় না বা যা চাওয়া যায় তাই যে পাওয়া সম্ভব না এটা যত তাড়াতাড়ি শিখে নেয়া যায় ততই মঙ্গল। তিক্ততা এবং আশা পূর্ণ না হওয়া আমাদের জীবনের অংশ। শিশুরা যখন জানবে যে এটা সব মানুষের জীবনেই ঘটে, তখন ওদের জন্যও সহজ হবে ব্যর্থতায় হতদ্যম না হয়ে বরং সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।

২। নাটকীয়তাকে উস্কে দেবেন নাঃ
শিশুর চাহিদা পূর্ণ না হলে তার মধ্যে হতাশা এবং ক্ষোভের জন্ম হওয়া খুব স্বাভাবিক, তাই বলে সহানুভূতি বা সান্ত্বনা দেবার ছলে শিশুর দুঃখকে আরও উস্কে দেবেন না। না পাওয়ার ব্যর্থতাকে মোকাবেলা করবার সুযোগ দিন, অন্যায় অব্দার কখনও পূর্ণ করবার চেষ্টা করবেন না।

৩। নিজের অভিজ্ঞতা শিশুর সাথে শেয়ার করুনঃ
আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শিশুকে শিখবার সুযোগ দিন, এতে আপনারা দুজনেই লাভবান হবেন। এক, আপনার মনের দীর্ঘদিনের চাপা কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন। দুই, আপনার শিশু শেখার সুযোগ পাবে যে, আপনি যেমন আপনার কঠিন সময় পার করে এসেছেন, সেও তেমন তার কঠিন সময় পার করে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে।

৪। সময় দিনঃ
আমরা বয়সে বড়, অভিজ্ঞ, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা আমাদের অবশ্যই শিশুদের চাইতে বেশী, তাই আমরা মনে করি যে, আমাদের দায়িত্ব সন্তানের সব সমস্যা সমাধান করা। কিন্তু, আমাদের এটা খেয়াল রাখা প্রয়োজন, শিশুদেরও নিজস্ব ক্ষমতা আছে সমস্যা সমাধান করবার, বিশেষ করে কোথাও ঠেকে গেলে ওকে সুযোগ দিন নিজের মতো করে চিন্তা ভাবনা করবার। সন্তান যদি বোঝে মা-বাবার ওর উপর আস্থা আছে, তখন ওর মনের জোরও বাড়বে, সেই মুহুর্তেই না হলেও পরে যে ও নিজের সমস্যার সমাধান পারবে না তা কিন্তু নয়।

ব্যর্থতা হতাশা কীভাবে মোকাবেলা করতে হবে তা কিন্তু রাতারাতি শেখা সম্ভব নয় কারও পক্ষে। আমাদের সন্তানেরা জীবনে অসংখ্যবার এমন পরিস্থিতির মুখো মুখি হবে, মা-বাবা হিসাবে আমাদের দায়িত্ব সন্তান পূর্ণ-বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মানসিকভাবে সাপোর্ট দেয়া, তাদের সব সমস্যার সমাধান করে দেয়া নয়।
সন্তানদের মন মানসিকতা, তাদের শারীরিক এবং মানসিক শক্তিকে উপলব্ধি করতে শিখুন, আপনার সব সন্তানের দক্ষতা এবং ক্ষমতা সমান নয় সেটা বুঝবার যোগ্যতা অর্জন করুন।

লেখক-

তানিয়া হাসান(Counselling Psychologist)

পুস্তক: মনকাহন ১ম ও ২য় খন্ড

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©