1. fakrul678@gmail.com : Fakrul islam Sumon : Fakrul islam Sumon
  2. mahedipramanik@gmail.com : Md. Mahedi Hasan Pramanik : Md. Mahedi Hasan Pramanik
  3. farukomar22@gmail.com : Omar Faruk : Omar Faruk
  4. onamikaafrinonu098@gmail.com : Onamika Afrin : Onamika Afrin
  5. admin@obirambanglanews24.com : Md. Shahjalal Pramanik : Md. Shahjalal Pramanik Sumon
  6. robinmahamudkhan007@gmail.com : Robin Mahamud Khan : Robin Mahamud Khan
  7. sapahar.sakib@gmail.com : Md. Sakib Hossen : Md. Sakib Hossen
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বদলগাছীতে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সিরাজগঞ্জশপ’ ও ‘আলাদীনের প্রদীপ’ রাজারহাটে জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ ফোকাস গ্রুপের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভেঙ্গে গেছে সাঁকো, চরম দূর্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ সিরাজগঞ্জে ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ১৪ সদস্য আটক নালী ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এমপি দূর্জয় জন্মদিন উদযাপন উলিপুরে পন্ডিত মহির উদ্দিন স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের কাছে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তলন-ফলোআপ নিউজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ সিরাজগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান-অটো ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

আবারও পদ্মার ভাঙন ঝুঁকিতে জাজিরার দুই হাজার পরিবার”

সিফাত উল্লাহ আফিফ, শরিয়তপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯৩ Time View

শরীয়তপুরের জাজিরার পাইনপাড়া চরটির চারপাশেই পদ্মা নদী। এই চরের পাশ দিয়েই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। গত শনিবার এই চরে ভাঙন শুরু হয়েছে। একটি জরিপে জানা গেছে, ভাঙনে ১৩টি বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে চরের দুই হাজার পরিবার ও ৬ হাজার ৬৬৬ বিঘা ফসলি জমি।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, জাজিরার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া মৌজায় তিনটি গ্রাম। এই গ্রামগুলোর চারদিক দিয়ে পদ্মা নদী। গ্রামগুলোর পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। সেতুর খুঁটি স্থাপনের জন্য একটি চ্যানেল খনন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন। আর গ্রামগুলোর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঞ্চালন লাইন ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থাপনে ওই প্রান্ত দিয়ে একটি চ্যানেল খনন করা হয়। কয়েক দিন ধরে পদ্মা নদীতে স্রোত বেড়েছে। এরপর ভাঙন শুরু হয়েছে।

পদ্মা সেতুর জন্য খনন করা চ্যানেলে ৩৪ নম্বর খুঁটির কাছে আড়াআড়ি বাঁধ দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই চ্যানেলের মুখে শিবচরের তারপাশা, শাহাবাজ নগর ও বটেশ্বর মৌজায় দুই কিলোমিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চ্যানেলের মধ্যে তীব্র স্রোত প্রবেশ করছে। স্রোতে পাইনপাড়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। আর বিদ্যুতের খুঁটি নিতে খনন করা চ্যানেলটি পদ্মা নদীর উত্তর কালিকা ও চরভাওর এলাকায় আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। তীব্র স্রোত ওই চ্যানেলে প্রবেশ করায় পাইনপাড়ার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।

সোমবার বিকেলে ভাঙনকবলিত পাইনপাড়ায় আসেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের। তিনি বলেন, সেতুর খুঁটি থেকে দুই দিকে ৫০০ মিটার জায়গা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তাদের খনন করা চ্যানেলে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং স্প্যান ও স্ল্যাব বসানোর কাজে ব্যবহৃত ক্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ৩৪ নম্বর খুঁটির কাছে বাঁধ দেওয়া হয়। এ বছর চ্যানেলের প্রবেশমুখে পদ্মা নদীর দুই কিলোমিটার এলাকা বিলীন হয়ে যাওয়ায় স্রোত বেড়ে গেছে। এতে কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ মুহূর্তে ওই বাঁধ অপসারণ করাও সম্ভব নয়। ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

১৯৯৮ সালে পাইনপাড়া মৌজাটি ভাঙনের কবলে পড়ে। তখন দুই বছরের ভাঙনে পুরো এলাকা পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। পরে ২০০৬ সালে চরটি জেগে উঠতে শুরু করে। পুরো চর জেগে উঠলে ২০০৮ সালে ওই চরে মানুষ পুনরায় বসতি গড়ে তোলেন। বর্তমানে চরে দুই হাজার পরিবারের বসবাস। আর ফসলি জমি রয়েছে ৬ হাজার ৬৬৬ বিঘা।

ওই চরের মাঝিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আমেনা খাতুন পদ্মার ভাঙনে চার দফায় নিঃস্ব হয়েছেন। ২০১৪ সালে দুই বিঘা জমি কিনে পুনরায় চরে বসতি গড়ে তোলেন। শনিবার সেই বসতবাড়িও পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। আমেনা বলেন, ‘সারা জীবন পদ্মা নদীই আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। যা–ও বাপ-শ্বশুরের ভিটা ছিল, তা–ও পদ্মা সেতুর জন্য অধিগ্রহণ করেছে। এখন শেষ আশ্রয়ও হারালাম।’

পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবদুল লতিফ ব্যাপারী বসবাস করেন পাইনপাড়া আহম্মদ মাঝিকান্দি গ্রামে। তাঁর বাড়ির পাশ দিয়ে বিদ্যুৎ প্রকল্পের চ্যানেল খনন করা হয়েছে। ভাঙনে শনিবার তাঁর বাড়ির একটি অংশ পদ্মায় বিলীন হয়। লতিফ ব্যাপারী বলেন, হঠাৎ করে ভাঙনে পাইনপাড়ার ১৩টি বসতঘর বিলীন হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে ও সেতু বিভাগে আবেদন জমা দেওয়া হয়।

জানতে চাইলে পাউবোর শরীয়তপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব বলেন, ভাঙন ও এর কারণ পাউবোর নজরে এসেছে। সেতু বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিভাগ সমূহ

সাইটের পেজ

© অবিরাম বাংলা নিউজ ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই সাইটের কোনো তথ্য বা ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ©